মোঃ সোলাইমান, মুলাদী
মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নে অনুমান ২০ টির বেশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে ৩২ নং বোয়ালিয়া বন্দর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫ম শ্রেনীর প্রাথমিক বৃত্তি ২০২৫ ইং সালের ৪ জন ছাত্রী ১ম স্থান অধিকার করেছেন বলে জানা গেছে।
মুলাদী উপজেলার উত্তরাঞ্চলের মধ্যে এরকম আদর্শবান প্রাথমিক বিদ্যালয় নাই বলে জানান স্থানীয় লোকজন ও কয়েকজন ছাত্র ছাত্রী অভিভাবকরা।
তারা আরো জানান, উক্ত স্কুলের শিক্ষক মন্ডলীগন অত্যন্ত অদর্শবান। সরজমিনে শিক্ষকদের নিকট বিভিন্ন বিষয় জানতে গেলে তাদের কে ক্লাসরুমে ক্লাস করতে দেখা গেছে। তখন এম এল এস এস মোঃ লিটন জানান, স্যারেরা ক্লাসে ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস নিচ্ছেন, তারা ক্লাস শেষ না হলে আসবেন না।
কয়েকটি স্কুলের খবর নিয়ে জানাগেছে, এরকম আদর্শতা তাদের স্কুরে খুব কমই আছে। উক্ত স্কুলটি তে সরকারের নির্দেশিত দ্বায়িত্ব শিক্ষক মন্ডলীরা পালন করে আসছে। এরকম দ্বায়িত্ব অন্যান্ন স্কুলে পালন করা হলে সকল প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী আদর্শবান হতো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনে জানান, কিছু স্কুলের এম এল এস এসরা সরকারী নিয়ম মোতাবেক স্কুলে তাদের দ্বায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করে না। অনেকে দেখা গেছে তাদের ব্যাক্তিগত কাজে স্কুলের তালা খুলে দিয়ে তার ব্যাক্তিগত কাজে চলে যায়। শিক্ষক মহোদয়গন এম এল এস এসদের ভয়েতে কোন কথা বলতে স্বাহস পায় না।
আরো জানাগেছে, স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের কে সরকার যে বিস্কুট ও খাদ্য দেয় তাহা এম এল এস এসরা তাদের ব্যাক্তিগত লোকদের মধ্যে বিতরন পরে। স্কুলের নিকটতম চাকরীজিবিদেরকে নিম্নতম ৫ (পাঁচ) কিলোমিটার দূরের স্কুলে বদলি করলে তারা নিজ সংসারের কাজে ব্যাস্ত থাকত না বলে জানান অনেকে। উপরোক্ত বিষয় সকল স্কুলের প্রতি উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের সু-দৃষ্টি থাকলে এ ধরনের কার্যকলাপ ঘটত না।




