লেখক: জনতা বাণী

  • ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরি, দ্রুত আবেদন করুন

    ট্রাস্ট ব্যাংকে চাকরি, দ্রুত আবেদন করুন

    চাকরি ডেস্ক

    ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সেলস টিম মনিটরিং, এসএমই ডিভিশন ম্যানেজার পদে একাধিক জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। গতকাল ২০ মে থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। আবেদন করা যাবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরো বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

    এক নজরে ট্রাস্ট ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৫
    প্রতিষ্ঠানের নাম
    ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
    চাকরির ধরন
    বেসরকারি চাকরি
    প্রকাশের তারিখ
    ২০ মে ২০২৫
    পদ ও লোকবল
    নির্ধারিত নয়
    চাকরির খবর
    ঢাকা পোস্ট জবস
    আবেদন করার মাধ্যম
    অনলাইন
    আবেদন শুরুর তারিখ
    ২০ মে ২০২৫
    আবেদনের শেষ তারিখ
    ৩০ মে ২০২৫
    অফিশিয়াল ওয়েবসাইট
    https://www.tblbd.com
    আবেদন করার লিংক
    অফিশিয়াল নোটিশের নিচে
    প্রতিষ্ঠানের নাম: ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
    পদের নাম: ম্যানেজার
    বিভাগ: সেলস টিম মনিটরিং, এসএমই ডিভিশন
    পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

    শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
    অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে কাজের দক্ষতা
    অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ০৫ বছর

    চাকরির ধরন: ফুলটাইম
    কর্মক্ষেত্র: অফিসে
    প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
    বয়সসীমা: নির্ধারিত নয়

    কর্মস্থল: ঢাকা
    বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
    অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী

    আবেদনের শেষ সময়: ৩০ মে ২০২৫

  • লাস্যময়ী রূপে কিয়ারা

    লাস্যময়ী রূপে কিয়ারা

    বিনোদন ডেস্ক

    বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদবানি, যিনি ফ্যাশন সচেতনতা এবং অসাধারণ ফিগারের জন্য সর্বদাই নেটিজেনদের মাঝে প্রশংসিত হয়ে থাকেন। এবার ‘ওয়ার টু’ ছবির টিজারে তার হলুদ বিকিনি লুকে রীতিমতো উষ্ণতার পারদ চড়িয়েছেন।

    বাস্তবে মাতৃত্বকালীন উচ্ছ্বাসে ভাসলেও, পর্দায় তার এই বোল্ড এবং আবেদনময়ী উপস্থিতি ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের মাঝে বেশ আলোচিত হচ্ছে। এই প্রথমবার কিয়ারার বিকিনি লুক নেটিজেনদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এবং ছবি মুক্তির আগেই তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

    টিজারে দেখা যায়, হলুদ বিকিনিতে লাস্যময়ী রূপে কিয়ারাকে দেখা গেছে। এদিকে হৃতিক রোশানকে দেখা গেছে আরও তীক্ষ্ণ, স্টাইলিশ এবং পেশিবহুল রূপে। তার টানটান চেহারা, অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব মুগ্ধ করেছে দর্শকদের।

    তবে টিজারের ক্লাইম্যাক্সে জুনিয়র এনটিআরের আগমনই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে – তিনি কি এই ছবির নায়ক নাকি খলনায়ক? দুই সুপারস্টারের মুখোমুখি হওয়া দর্শকদের জন্য এক দারুণ চমক নিয়ে আসছে, তা টিজারেই স্পষ্ট।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ আগস্ট হিন্দি, তামিল এবং তেলেগু ভাষায় মুক্তি পাবে ‘ওয়ার টু’। হৃতিক রোশানসহ ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা ইতোমধ্যেই নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় টিজারটি শেয়ার করেছেন। হৃতিকের পোস্টে তার বান্ধবী সাবা আজাদ এবং প্রাক্তন স্ত্রী সুজান খান নতুন কাজের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

  • আজ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ

    আজ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি

    আজ আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে মাছ রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার (পরদিন) থেকে আবারও রপ্তানি কার্যক্রম চালু করার কথা জানানো হয়েছে।

    এদিকে, আখাউড়া স্থলবন্দরে গত তিন দিন ধরে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এক ধরনের অচলাবস্থা বিরাজ করছে। কারণ, ভারত সরকার ছয়টি পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যার ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

    একজন ব্যবসায়ী জানান, আমরা প্রতিদিন যে পরিমাণ পণ্য ভারতে পাঠাতাম, তার অন্তত এক-তৃতীয়াংশ এখন পড়ে আছে গুদামে। দীর্ঘদিন এভাবে চললে বড় ধরনের লোকসান হবে।

    নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, সুতা ও সুতার উপজাত এবং আসবাবপত্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক ও কাঠের আসবাব ছাড়া বাকি সব পণ্যই নিয়মিতভাবে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে রপ্তানি হতো।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, ভারতের এই নিষেধাজ্ঞা রপ্তানি বাণিজ্যে বড় ধরনের ধাক্কা দেবে। মোট রপ্তানির প্রায় ৩০ শতাংশ এই পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, যা নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিদিনই বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    আখাউড়া সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মো. নেসার আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, “ভারতে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি-রপ্তানিতে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। তাই বুধবার আমরা একদিনের জন্য মাছ রপ্তানি বন্ধ রেখেছি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে।

    তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী নয় এবং বৃহস্পতিবার থেকেই মাছ রপ্তানি স্বাভাবিক নিয়মে চালু হবে।

  • সড়ক নেই, কাজে আসছে না ৬ কোটির সেতু

    সড়ক নেই, কাজে আসছে না ৬ কোটির সেতু

    পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি

    পঞ্চগড়ে দুই উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য নির্মাণ করা হয় সেতু। তবে সেতু নির্মাণ হলেও, তৈরি হয়নি সেতুর দুইপাশের সংযোগ সড়ক। এতে সেতুর সুবিধা পাচ্ছে না পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ধরধরা ও আটোয়ারী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

    জানা গেছে, পঞ্চগড়ের বোদা ও আটোয়ারী উপজেলার টাঙ্গন নদীর ওপর দুই উপজেলার সংযোগ করতে ২০২১ সালে আগস্ট মাসে কাজ শুরু হয় সেতুটির। মাঝে একবার মেয়াদ বাড়িয়ে এ বছর কাজ শেষ হয় সেতুটির। ৯৬ মিটার এ সেতুটি নির্মাণের চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে পাঁচ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। সেতুটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। সেতুর সঙ্গে সংযোগ সড়ক বরাদ্দ থাকলেও তিন বছরেও জমি অধিগ্রহণ করতে পারেনি। তাই মোটা অংকের সরকারি টাকা খরচ করা হলেও কোনো কাজেই আসছে না সেতুটি। টেন্ডারের মাধ্যমে সেতু নির্মাণের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এনএইজ । এ বছরে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ করে তারা। কিন্তু এর একপাশে কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি থাকায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে পারছেন না। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও সম্ভব হয়নি ।

    সরেজমিনে ঘুরে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি ব্যবহার করতে পারছে না তারা। সেতুটি চালু না হওয়ায়, ওপারের কয়েকটি ইউনিয়নের কৃষকদের কৃষি পণ্য নিতে হয় কয়েক কিলোমিটার ঘুরে। এতে গুনতে হয় বাড়তি খরচ। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিন এ সমস্যার সমাধান না হলে ব্রিজের নির্মাণ কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে যাবে। যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজ ভীষণ প্রয়োজন।

    স্থানীয় বাসিন্দা রাকিব হাসান বলেন, রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় এখন আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হইলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়।

    স্থানীয় কৃষক জাহাঙ্গীর বলেন, সেতু নির্মাণ হওয়ার খবরে আমরা অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এত বছর পেরিয়ে গেলেও এর দুপাশে রাস্তা নির্মাণ হয়নি। এতে সেতুটি আমাদের কোনো কাজে লাগছে না। আমাদের কৃষি পণ্য নিতে হয় কয়েক কিলোমিটার ঘুরে। এতে ভ্যান ভাড়া লাগে বেশি। সেতুটিত রাস্তা হইলে সহজেই আমরা কৃষি পণ্য আনানেওয়া করতে পারবো।

    এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহমুদ জামান বলেন, মূল ব্রিজের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। সংযোগ সড়কের ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে সংযোগ সড়কটি এখনো নির্মাণ হয়নি। বর্তমানে সড়ক নির্মাণ জন্য ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। শীঘ্রই ভূমি অধিগ্রহণ সমাপ্ত হলে সড়কটি নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

  • গাজায় লাগামহীন ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫৩ হাজার ৬০০ ছুঁই ছুঁই

    গাজায় লাগামহীন ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫৩ হাজার ৬০০ ছুঁই ছুঁই

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

    ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলের চালানো ভয়াবহ সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৩ হাজার ৫৭৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২০ মে) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এমন তথ্য সামনে এনেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

    মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ৮৭টি লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ২৯০ জন, ফলে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৮৮ জনে।

    বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বহু লাশ এখনো ধ্বংসস্তূপ ও রাস্তার পাশে পড়ে আছে, কিন্তু টানা হামলা ও রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে উদ্ধারকারী দলগুলো সেখানে পৌঁছাতে পারছে না।

    গত ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের সমঝোতা ভেঙে দিয়ে ইসরায়েল ফের পূর্ণমাত্রায় হামলা শুরু করে গাজায়। এরপর থেকে শুধু এই সময়ে ৩ হাজার ৪২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৯ হাজার ৬৪৭ জন।

    এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে গাজায় একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যার মাধ্যমে দু’পক্ষের মধ্যে বন্দি বিনিময়ও হয়। কিন্তু ওই সমঝোতা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

    গত বছর নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

    এছাড়া ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) একটি গণহত্যা মামলা এখনও চলমান রয়েছে। এই মামলায় মূল আবেদনকারী দেশ হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

  • ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

    সূর্যোদয়ের সময় ইরানের রাজধানী তেহরানের দৃশ্য। ছবিটি গত ৩১ মার্চ তোলা
    ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নতুন তথ্যে বিষয়টি সামনে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই খবর জানিয়েছে।

    তবে এই প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি ইসরায়েল। বুধবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

    অবশ্য ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার এই সিদ্ধান্ত ইসরায়েল চূড়ান্ত করেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে যে—শেষ পর্যন্ত ইসরায়েল হামলা চালাবে কি না, তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে বলেও জানায় সিএনএন।

    বিজ্ঞাপন

    এদিকে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে রয়টার্স এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (এনএসসি) তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। এছাড়া ইসরায়েলি দূতাবাস এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    সিএনএনের প্রতিবেদনে এক গোয়েন্দা সূত্র বলেছে, “সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।”

    সূত্রটি আরও জানায়, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এমন কোনো চুক্তি হয় যেখানে ইরান তার ইউরেনিয়াম মজুদ পুরোপুরি সরিয়ে না নেয়—তাহলে ইসরায়েলের হামলার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে।

    এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে একটি কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করছে।

    সিএনএনের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে ইসরায়েলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের ব্যক্তিগত ও প্রকাশ্য বক্তব্য, ইসরায়েলের সামরিক যোগাযোগে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামরিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে।

    দুই মার্কিন সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, ইসরায়েলের যেসব সামরিক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে, তার মধ্যে রয়েছে—বিমান হামলার জন্য গোলাবারুদ সরানো এবং সাম্প্রতিক একটি বিমান মহড়া সম্পন্ন করা, যা ইসরায়েল বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেয়।

    এর আগে মঙ্গলবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, “আমেরিকার দাবি—ইরান যেন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করে—তা অতিরিক্ত এবং অযৌক্তিক”। তিনি নতুন পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনার সফলতা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন বলে জানায় ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

  • পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানাল চীন

    পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়ার কথা জানাল চীন

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    ‘জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা’ রক্ষায় চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করে বলে জানিয়েছে এশীয় পরাশক্তি এই দেশটি। রাজধানী বেইজিংয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সাথে বৈঠকে একথা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

    মঙ্গলবার (২০ মে) পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি এবং সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

    প্রতিবেদনে বলা হযেছে, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার পর চীন জানিয়েছে, পাকিস্তানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষায় তারা দৃঢ়ভাবে দেশটির পাশে রয়েছে। মঙ্গলবার বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে চীন এই বার্তা দেয়।

    চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেও তারা সংলাপ ও শান্তিপূর্ণভাবে মতপার্থক্য মেটানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। বেইজিং সফরে থাকা পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার–এর সঙ্গে বৈঠকে এই মন্তব্য করেন ওয়াং।

    চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, “পাকিস্তান হচ্ছে চীনের ‘অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য, দৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য বন্ধু’ এবং দুই দেশের ‘সব পরিস্থিতিতে কৌশলগত সহযোগিতা’ আরও গভীর করা হবে।”

    এদিকে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানানোর জন্য বৈঠকে ইসহাক দার চীনকে ধন্যবাদ জানান।

    পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুই দেশের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, চীন-পাকিস্তান সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, “আঞ্চলিক শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দুই দেশের নেতৃত্ব।”

    এর আগে, ইসহাক দার চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ জিয়ানচাও–এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সিপিসির সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার বিষয়ে একমত হন দুই নেতা।

    লিউ বলেন, “চীন সব সময় পাকিস্তানকে ‘সব পরিস্থিতিতে কৌশলগত সহযোগী’ ও ‘অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য, দৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য বন্ধু’ হিসেবে দেখে থাকে। তাই চীন-পাকিস্তান সম্পর্ক সবসময় অগ্রাধিকার পাবে।”

    ইসহাক দার সম্প্রতি চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে বেইজিং পৌঁছান। সফরটি এমন এক সময় হলো, যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পেহেলগাম হামলার জেরে কয়েকদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির পরেও পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে।

  • আইপিওতে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক অনুমোদন লাগবে

    আইপিওতে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক অনুমোদন লাগবে

    জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

    দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বাজারের সুশাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গঠিত পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালা এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস এর বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশমালা পেশ করেছে।

    এর মধ্যে আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্টক এক্সচেঞ্জ প্রাথমিক অনুমোদন প্রদান করবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশের ভিত্তিতে বিএসইসি চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করবে বলে সুপারিশ করেছে টাস্কফোর্স।

    সোমবার (১৯ মে) বিএসইসির কমিশনার মো. আলী আকবরের উপস্থিতিতে ‘পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স’ এই সুপারিশমালা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নিকট হস্তান্তর করেন।

    মঙ্গলবার (২০ মে) বিএসইসি থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    সুপারিশ হস্তান্তরের সময় টাস্কফোর্সের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারের (বিয়াক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কে এ এম মাজেদুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল-আমিন উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলসের বিষয়ে ‘পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স’ পেশ করা চূড়ান্ত সুপারিশমালার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে –

    আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্টক এক্সচেঞ্জ প্রাথমিক অনুমোদন প্রদান করবে এবং স্টক এক্সচেঞ্জের সুপারিশের ভিত্তিতে বিএসইসি চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করবে।

    আইপিও বা পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে যারা নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন তাদের উপযুক্ত ও সঠিক মানদণ্ড সুপারিশমালায় দেওয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নিরীক্ষা কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

    আইপিও ভ্যালুয়েশন বা প্রাইসিংয়ের জন্য সুগঠিত মডেল তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী কোম্পানিসমূহের ন্যায্য প্রাইসিং নিশ্চিত হবে। এর ফলে আগামীতে ভালো ও মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিসমূহ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে উৎসাহিত হবে।

    আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় ইস্যু ম্যানেজারদের সুনির্দিষ্ট দায়দায়িত্ব ও ভূমিকার বিষয়ে সুপারিশমালায় বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে, যার ফলে তাদের জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে।

    ইস্যুয়ার কোম্পানিসমূহে করপোরেট গভর্নেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতের বিষয়েও সুপারিশমালায় বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে কোম্পানিসমূহে সুশাসন বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ অধিকতর সুরক্ষিত হবে।

    সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (মিউচ্যুয়াল ফান্ড) বিধিমালার বিষয়ে ‘পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স’ পেশ করা চূড়ান্ত সুপারিশমালার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে –

    সব মেয়াদি ফান্ডকে অবশ্যই ট্রাস্ট ডিডে নির্ধারিত প্রাথমিক মেয়াদ শেষে অবসায়ন করতে হবে। তবে, যদি কোনো বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত ইউনিট হোল্ডারদের তিন-চতুর্থাংশ (ইউনিটের মালিকানার শতাংশের ভিত্তিতে ফান্ডটি ওপেন-এন্ড ফান্ডে রূপান্তরের পক্ষে ভোট দেন, তাহলে উক্ত ফান্ড রূপান্তরিত হতে পারবে। যেসব মেয়াদি ফান্ডের মেয়াদ এর আগে বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে সংশোধিত বিধিমালার কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে একটি বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বান করতে হবে, যেখানে ইউনিট হোল্ডারদের রূপান্তরের বিষয়ে ভোট নেওয়া হবে। যদি ইউনিট হোল্ডারদের ৭৫ শতাংশ রূপান্তরের পক্ষে ভোট দেন, তাহলে ফান্ডটি রূপান্তরিত হবে; অন্যথায় উক্ত সময় থেকে তিন মাসের মধ্যে ফান্ডটি মেয়াদ শেষ বিবেচনায় অবলুপ্ত করতে হবে।

    গ্রোথ, ব্যালান্সড, শরিয়াহ-অনুবর্তী, ফিক্সড ইনকাম ও মানি মার্কেট ফান্ডের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বাধ্যতামূলক সম্পদ বরাদ্দ নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

    বিনিয়োগ সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন: ক) একক শেয়ারে বিনিয়োগের সীমা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে এবং একক শিল্প খাতে বিনিয়োগের সীমা ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হয়েছে; খ) তালিকাভুক্ত নয় এমন কোনো ইক্যুইটি সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করা যাবে না। তবে শুধু মেইন বোর্ডে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানি কর্তৃক ইস্যুকৃত বন্ড বা প্রেফারেন্স শেয়ারে বিনিয়োগ করা যাবে।

    মোট বার্ষিক ব্যয় অনুপাত সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে; ফিক্সড ইনকাম অথবা মানি মার্কেট ফান্ডের ক্ষেত্রে এই হার হবে ২ শতাংশ।

    মেয়াদি ফান্ডের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট বছরে অর্জিত লাভের কমপক্ষে ৭০ শতাংশ ইউনিট হোল্ডারদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করতে হবে। বেমেয়াদি বা ওপেন-এন্ড ফান্ডের ক্ষেত্রে, প্রতি ইউনিটে ন্যূনতম লভ্যাংশ হবে ওই বছরের অর্জিত লাভ অথবা ভার আরোপিত গড় আয়- এই দুটির মধ্যে যেটি কম তার কমপক্ষে ৩০ শতাংশ।

    পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্ক ফোর্সের চূড়ান্ত সুপারিশমালার আলোকে আইনি সংস্কারের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। টাস্ক ফোর্সের সুপারিশমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে বিএসইসি আশা করেছে।

  • মুদ্রার বিনিময় হার: ২১ মে ২০২৫

    মুদ্রার বিনিময় হার: ২১ মে ২০২৫

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ পাড়ি জমিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (২১ মে, ২০২৫) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো।

    মুদ্রাক্রয় (টাকা)বিক্রয় (টাকা)
    ইউএস ডলার১২১.০০১২২.০০
    পাউন্ড১৬০.০৮১৬৬.৪০
    ইউরো১৩৫.১০১৪০.৭৬
    জাপানি ইয়েন০.৮৩০.৮৬
    অস্ট্রেলিয়ান ডলার৭৮.০৮৭৮.৭০
    হংকং ডলার১৫.৪৬১৫.৫৮
    সিঙ্গাপুর ডলার৯২.৩৩৯৫.৯৮
    কানাডিয়ান ডলার৮৭.১৪৮৭.৮৩
    ইন্ডিয়ান রুপি১.৪১১.৪১
    সৌদি রিয়েল৩২.২৬৩২.৫৩
    মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত২৮.৩৫২৮.৫৪
    সূত্রঃ এনসিসি ব্যাংক লিঃ
  • জাতীয় চা পুরস্কার পেলো ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

    জাতীয় চা পুরস্কার পেলো ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

    জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

    জাতীয় চা দিবসে পুরস্কার পেয়েছে ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান। বুধবার (২১ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় চা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    ৮টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্তদের তালিকা:
    প্রথম ক্যাটাগরিতে একর প্রতি সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী চা বাগানের পুরস্কার পেয়েছে ডিনস্টন চা বাগান। সর্বোচ্চ গুণগতমান সম্পন্ন উৎপাদনকারী বাগান হয়েছে মধুপুর চা বাগান। শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক হয়েছে দি কনসোলিডেটেড টি এন্ড ল্যান্ডস কো. বাংলাদেশ লিমেটেড। শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রায়তন চা উৎপাদনকারী হয়েছেন পঞ্চগড়ের এ.বি.এম. আখতারুজ্জামান। শ্রমিক কল্যাণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা বাগান হয়েছে মির্জাপুর চা বাগান।

    বৈচিত্র্যময় চা পণ্য বাজারজাতকরণের সেরা প্রতিষ্ঠান হয়েছে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট লিমিটেড।

    দৃষ্টিনন্দন ও মানসম্পন্ন চা মোড়কেরভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা প্রতিষ্ঠান/কোম্পানির পুরস্কারও জিতেছে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট লিমিটেড।

    শ্রেষ্ঠ চা-পাতা চয়নকারী (শ্রমিক সম্পর্কিত পুরস্কার) পেয়েছেন নেপচুন চা বাগানের চা শ্রমিক জেসমিন আক্তার।

    এদিকে, এ বছর সর্বোচ্চ চা উৎপাদনকারী বটলিফ চা কারখানা ক্যাটাগরি এবং সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনকারী বটলিফ চা কারখানা ক্যাটাগরিতে ২টি বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

    ওই দুটি প্রতিষ্ঠান হলো সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনকারী বটলিফ চা কারখানা ক্যাটাগরিতে সুপ্রিম টি লিমিটেড ও সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনকারী বটলিফ চা কারখানা ক্যাটাগরিতে মরগেন টি ইন্ডাস্ট্রিজ।