লেখক: জনতা বাণী

  • বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ২৯ মে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর সভা

    বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ২৯ মে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর সভা

    জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

    পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ২৯ মে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এই সভার আয়োজন করেছে।

    বুধবার (২১ মে) বিএসইসি থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিএসইসির কার্যালয়ে ২৯ মে দুপুর ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    বিএসইসি জানিয়েছে, দেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। বিএসইসি’র সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান সরকারও দেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন ও সংস্কারের বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, পুঁজিবাজারের অংশীজনদের মতামত এবং তাদের সঙ্গে নিয়েই বাজারের টেকসই উন্নয়ন ও সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব বলে বিএসইসি মনে করে। সংস্কারের চলমান প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দেশের পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সবার মতামত, অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ ও সমৃদ্ধ পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে বিএসইসি বদ্ধ পরিকর। সাধারণ বিনিয়োগকারী দেশের পুঁজিবাজারের প্রাণ এবং বিএসইসি’র দায়িত্ব হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ।

    ২৯ মে অনুষ্ঠিতভ্য সভায় বিএসইসি’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ উপস্থিত থাকবেন। এই সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী ও বিএসইসি’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুঁজিবাজারের বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

    সভায় বিনিয়োগকারীদের সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছে বিএসইসি। তবে মতবিনিময় সভাটি সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পাদনের জন্য বিনিয়োগকারীদের সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সভায় অংশগ্রহণের সম্মতি প্রকাশ করে তাদের নাম-পরিচয় ও যোগাযোগের ফোন নম্বরসহ বিস্তারিত উল্লেখ করে সংগঠনের প্যাডে বিএসইসি বরাবর কমিশনের দাপ্তরিক ই-মেইলে (info@sec.gov.bd) চিঠি পাঠাতে হবে। আগামী ২৫ মে’র মধ্যে এই চিঠি পাঠাতে হবে।

  • কেন গেলেন ধানমন্ডি থানায়? হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    কেন গেলেন ধানমন্ডি থানায়? হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ নোটিশ) দিয়েছে তার দল। ধানমন্ডি থানার একটি ঘটনায় আটককৃত তিনজনকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

    আব্দুল হান্নান মাসউদের থানায় যাওয়া ও তিনজনকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে এবং সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি – এনসিপির পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে হান্নান মাসউদকে। বুধবার (২১ মে) সকালে তাকে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    নোটিশে বলা হয়, ‘গতকাল মঙ্গলবার ধানমন্ডি থানার আওতাভুক্ত একটি আবাসিক এলাকায় ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে তিনজন ব্যক্তিকে আটক করে ধানমন্ডি থানা পুলিশ। উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক উক্ত তিনজনের অন্যতম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, মোহাম্মদপুর থানার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাব্বিকে নৈতিকতা স্থলনজনিত কারণে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। এতদ্বসত্ত্বেও আপনি সংশ্লিষ্ট থানায় উপস্থিত হয়ে আটক তিনজনের মুচলেকা প্রদান করে থানা থেকে তাদেরকে জামিন করিয়েছেন।

    মধ্যরাতে হাক্কানীর প্রকাশকের বাসায় হুলস্থূল, ৩ নেতাকে ছাড়িয়ে নিলেন মাসউদ
    হাক্কানী পাবলিশার্সের চেয়ারম্যানের বাসায় ঢোকার চেষ্টা লোকজনের
    জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন করলে কী উপকার, জানালেন সারজিস
    এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আপনার ব্যাখ্যা এবং আপনার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার লিখিত বিবরণ আগামী তিন দিনের মধ্য শৃঙ্খলা কমিটির প্রধানের নিকট উপস্থাপন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।’

    প্রসঙ্গত, সোমবার (১৯ মে) রাতে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে হাক্কানী পাবলিশার্সের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাকে গ্রেপ্তারে চাপ ও পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনজন। পরে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ধানমন্ডি থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে এক তরুণ বলেন— ‘আপনি কেন এইখানে কথা বলতেছেন এইভাবে। আপনি ওসি আপনি গ্রেপ্তার করলেন না কেন। আমি বলছি, আমি বলছি… আপনি গ্রেপ্তার করেন।’

    এরপরই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে তিনজনকে হেফাজতে নেয় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

  • উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি ইশরাকের

    উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমের পদত্যাগ দাবি ইশরাকের

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন।

    বুধবার (২১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।

    ওই পোস্টে ইশরাক লেখেন, গণতান্ত্রিক ভাষায়, রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে যৌক্তিক কারণে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। যেহেতু এটা প্রতীয়মান যে আপনারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, হয়ত আগামীতে সরাসরি যুক্ত হবেন। এবং এটাও অনেকটা স্পষ্ট আপনারা নির্বাচন করবেন। তাহলে আপনাদের পদত্যাগের দাবি কি অযৌক্তিক? নাকি এটাই সঠিক পদক্ষেপ হবে এবং আপনাদের নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটবে।

    আপনাদেরই নাহিদ ইসলাম যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছে সেটাই অনুসরণ করুন। উনি চাইলে হয়ত আরও কিছুদিন মন্ত্রিত্ব করে তারপর এনসিপিতে যেতে পারতেন। একটা সময় ছিল সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহরা জোরালোভাবে দাবি করলে ওনারাও হয়ত মন্ত্রিত্ব নিতে পারতেন। কিন্তু তারা রাজনীতি করবেন বলে সেই কর্মপন্থা বেছে নিয়েছেন। হয়ত একদিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে পূর্ণাঙ্গভাবে মন্ত্রীর দায়িত্ব, ক্ষমতা ও সম্মান আবার পাবেন।

    আপনারা পদত্যাগ করলে বর্তমান সরকারের নিরপেক্ষতার ইমেজই বৃদ্ধি পাবে। এখনও মনে করি সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দলীয় ও সাংগঠনিক কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারলে দেশ ও জনগণকে আপনারা আরও ভালো কিছু দিতে পারবেন।

    আর ক্ষমতা ধরে রাখলে আপনাদের দলের লোকজনকে বিশেষ সুবিধা দিতেই হবে, এটা থেকে বিরত থাকার বা শতভাগ নিরপেক্ষ থাকার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা অথবা ক্ষমতা আপনাদের নাই। কারোরই থাকে না। কাঁঠাল ভাঙবে আপনাদের মাথায়, খাবে কিন্তু অন্য সবাই।

    এখন নিশ্চয়ই বলবেন বা ভাববেন ক্ষমতার লোভে অবৈধ মেয়র হওয়ার জন্য দিনের পর দিন আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়ে জনভোগান্তি তৈরি করে নিজেকে সাধু বানিয়ে আমাদের নীতিবাক্য শোনাচ্ছেন, তাই না? আমি নিজেও কি কম সমালোচনার শিকার হয়েছি এটি করতে গিয়ে? কিন্তু আমার আর কোনো উপায় ছিল না। আপনাদেরকে যে ভুল পথে পরিচালিত করা হচ্ছে সেটা জনগণকে বোঝানো দেশের জন্য প্রয়োজন ছিল। এবং আজ অবধি আমাকে বাধা দেওয়ার কাজটি যৌথ সিদ্ধান্তে হচ্ছে, এটা মিনিমাম রাজনৈতিক বোধ সম্পন্ন মানুষ বোঝে।

    কিন্তু আমি বলব এটা ছিল ওনাদের ভুল পলিসি, ব্যবহার হলেন আপনি আসিফ ভূঁইয়া। আইন-আদালত মেনে নিতে না পারলে কোথা থেকে দেশ সংস্কার শুরু হবে? তারপর যত ইচ্ছা সমালোচনা করতেন, দেখতেন আসলে কি করি। এখন পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া আমাকে সম্পন্ন করতেই হবে।

    বন্দোবস্ত তো আগেরটাই অনুসরণ হচ্ছে। আরও পাকাপোক্ত করা হচ্ছে বললেও ভুল হবে না। আপনাদের পদত্যাগের দাবি থেকে সরার কোনো সুযোগ নাই। আপনারাই বা কেন থাকতে চাচ্ছেন?

  • নির্বাচন কমিশনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে এনসিপি

    নির্বাচন কমিশনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে এনসিপি

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুনর্গঠন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে নির্বাচন ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    বুধবার (২১ মে) দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশটি শুরু হয়।

    বিক্ষোভ সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন এনসিপির কলাবাগান থানার প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ।

    এদিকে, এনসিপির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ভবনের আশপাশে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার সকাল থেকেই আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিরাপত্তা রক্ষায় কড়া অবস্থান নেয় পুলিশ। ভবনের সামনের রাস্তায় দেওয়া হয় কাঁটাতারের ব্যারিকেড।

    সেখানে পুলিশের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাসদস্যদের রয়েছে সতর্ক উপস্থিতি।

    এর আগে মঙ্গলবার (২০ মে) রাতে জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, অনতিবিলম্বে সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব আমলে নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।

  • ট্রেনের ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু আজ

    ট্রেনের ঈদযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু আজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    আগামী ৭ জুনকে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন ধরে আজ ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদ উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের এই যাত্রা সহজ করতে আজ বিক্রি করা হবে প্রথমদিনের (৩১ মে) ট্রেনের আসন। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে।

    বুধবার (২১ মে) সকাল ৮টায় বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনগুলোর আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে। আর দুপুর ২টায় পূর্বাঞ্চলে চলাচল করা ট্রেনগুলোর আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।

    এবার শুধু ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর জন্য আসন নির্ধারিত রয়েছে ৩৩ হাজার ৩১৫টি। ঈদ উপলক্ষ্যে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    কর্মপরিকল্পনার তথ্য মতে, ঈদের আগে আন্তঃনগর ট্রেনের ৩১ মে’র টিকিট বিক্রি হবে ২১ মে; ১ জুনের টিকিট বিক্রি হবে ২২ মে; ২ জুনের টিকিট বিক্রি হবে ২৩ মে; ৩ জুনের টিকিট বিক্রি হবে ২৪ মে; ৪ জুনের টিকিট বিক্রি হবে ২৫ মে; ৫ জুনের টিকিট বিক্রি হবে ২৬ মে এবং ৬ জুনের টিকিট বিক্রি হবে ২৭ মে।

    রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের আগে সাত দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম হিসেবে বিক্রি করা হবে। এসময় কেনা টিকিটগুলো যাত্রীরা রেলওয়েকে ফেরত দিতে পারবেন না। প্রতিজন টিকিটপ্রত্যাশী চারটি আসনের টিকিট একবার একসঙ্গে সংগ্রহ করতে পারবেন।

  • এনসিপির বিক্ষোভের ডাক, ইসিতে নিরাপত্তা জোরদার

    এনসিপির বিক্ষোভের ডাক, ইসিতে নিরাপত্তা জোরদার

    জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ভবনের আশেপাশে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    বুধবার (২১ মে) সকাল থেকেই আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিরাপত্তা রক্ষায় কড়া অবস্থান নেয় পুলিশ। ভবনের সামনের রাস্তায় দেওয়া হয় কাঁটাতারের ব্যারিকেড।

    পুলিশের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, র‌্যাব এবং সেনা সদস্যদের রয়েছে সতর্ক উপস্থিতি।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনকে আদালতের রায়ের ভিত্তিতে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করায় ইসির ভূমিকার প্রতি বিক্ষোভ প্রদর্শনের কর্মসূচি দিয়েছে এনসিপি। এছাড়াও দলটি ইসির বিরুদ্ধে বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে। অন্যদিকে ফ্যাসিস্ট সরকারের করা আইনের অধীনে নিয়োগ পাওয়া ইসিরও পুনর্গঠন চেয়েছে দলটি।

  • নগরভবনে অবস্থান নিলেন ডিএসসিসির কর্মচারীরা

    নগরভবনে অবস্থান নিলেন ডিএসসিসির কর্মচারীরা

    জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

    ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে বসানোর দাবি নিয়ে এবার নগরভবনের ভেতরে অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীরা।

    বুধবার (২১ মে) বেলা ১১টার পর নগরভবনে তারা অবস্থান নিয়ে ইশরাককে মেয়র পদে বসানোর দাবি জানাচ্ছেন। সেই সঙ্গে অন্যান্য দিনের মতো আজও নগরভবনের বিভিন্ন বিভাগের অফিসে তালা ঝুলিয়ে রেখেছেন তারা। ফলে আজও বন্ধ আছে সব ধরনের সেবা কার্যক্রম।

    তারা বলছেন, সিটি করপোরেশনের প্রত্যেক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত হয়ে ঢাকাবাসীর এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছেন। আমাদের দাবি মানা না হলে এরপর থেকে পরিচ্ছন্নতা সেবা, ময়লা পরিবহন সেবা এবং বিদ্যুৎ সেবাসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সংগঠনগুলো হলো স্ক্যাভেঞ্জার অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন, পরিবহন চালক ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন, বিদ্যুৎ কর্মচারী সমাজ কল্যাণ সমিতি ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমাজ কল্যাণ সমিতি আমরা সবাই চাই ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে দেখতে।

    এদিকে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে বুধবারের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার ঘোষণা না এলে গতকাল (মঙ্গলবার) ঢাকা অচলের ঘোষণা দেন তার সমর্থকরা।

    মঙ্গলবার বিকেলে ষষ্ঠ দিনের অবস্থান কর্মসূচি থেকে ঢাকাবাসীর পক্ষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাবেক সচিব মশিউর রহমান। তিনি বলেন, আমরা বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবো এর মধ্যে ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না এলে আবারো সকাল ১০টায় একত্রিত হয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি করবো। একইসঙ্গে ঢাকা অচলেরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

  • গাজায় পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় মারা যেতে পারে ১৪ হাজার শিশু

    গাজায় পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় মারা যেতে পারে ১৪ হাজার শিশু

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

    জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী টম ফ্লেচার সতর্কতা দিয়েছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় গাজায় ১৪ হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে। মঙ্গলবার (২০ মে) বিবিসির রেডিও-৪-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন ভয়াবহ কথা বলেন তিনি।

    দখলদার ইসরায়েল গাজায় অবরোধ আরোপ করে রাখায় এসব শিশু খাবারের অভাবে মারা যেতে পারে বলে জানান টম ফ্লেচার।

    আন্তর্জাতিক চাপের মুখে গতকাল সোমবার প্রায় আড়াই মাস পর গাজায় প্রথমবার ত্রাণের ট্রাক ঢুকতে দেয় ইসরায়েল। তবে এদিন মাত্র পাঁচটি ট্রাক ২০ লাখের বেশি মানুষের এ উপত্যকায় প্রবেশ করে। যেটিকে ‘সমুদ্রে পানির একটি ফোটা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। যা গাজার মানুষের জন্য কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয় জানান টম।

    জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, গতকাল ত্রাণের যেসব ট্রাক প্রবেশ করেছে সেগুলোর মধ্যে শিশুদের খাবার ও পুষ্টিকর খাদ্য রয়েছে। তবে এই ট্রাকগুলো ইসরায়েলি সীমান্ত পার হয়ে শুধুমাত্র গাজাতেই প্রবেশ করেছে। এগুলোর পণ্য এখনো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।

    দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে চলিত বছরের ১৯ জানুয়ারি ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। কিন্তু মার্চের শুরুতে দখলদাররা এ চুক্তি ভঙ্গ করে গাজায় আবারও বর্বরতা শুরু করে। এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় দেড় লাখ মানুষ।

    ত্রাণের ট্রাক প্রবেশ করতে না দিয়ে ফিলিস্তিনিদের অভুক্ত রাখায় দখলদারদের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এরমধ্যে সোমবার তারা গাজায় মাত্র পাঁচটি ট্রাক প্রবেশ করতে দেয়। যা পরবর্তীতে আরও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।

    সূত্র: বিবিসি

  • গাজায় প্রায় ১০০ ট্রাক ত্রাণ ঢুকবে আজ

    গাজায় প্রায় ১০০ ট্রাক ত্রাণ ঢুকবে আজ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আজ মঙ্গলবার (২০ মে) প্রায় ১০০ ট্রাক ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলে। ইহুদিবাদী দখলদাররা আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় অবরোধ আরোপ করে রেখেছিল। এরপর গতকাল সোমবার তারা প্রথমবারের মতো গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকতে দেয়। এদিন অবশ্য গাজায় প্রবেশ করে মাত্র পাঁচটি ট্রাক।

    আজ ১০০টি ট্রাক প্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘের মানবিক অফিস। সংস্থাটির মুখপাত্র জেনস লার্কে জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আমরা গাজায় আরও ট্রাক প্রবেশের অনুমতি চেয়েছি এবং পেয়েছি। যা গতকালের চেয়ে অনেক বেশি।” কতগুলো ট্রাক? এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “প্রায় ১০০টি”।

    গতকাল সোমবার করিম আবু সালেম ক্রসিং দিয়ে গাজায় ট্রাকগুলো ঢুকে। ইসরায়েলিরা এ নিয়েও মিথ্যাচার করেছে। তারা বলেছে গাজায় ৯টি ট্রাক ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, দখলদাররা মাত্র পাঁচটি ট্রাক প্রবেশ করতে দেয়।

    আজ গাজায় যেসব ত্রাণ ঢুকবে সেগুলো পুরোনো পদ্ধতি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেনস লার্কে। তিনি বলেছেন, “পরবর্তী কাজ হলো এগুলো সংগ্রহ করা। এরপর ত্রাণগুলো পুরোনো পদ্ধতিতে বিতরণ করা হবে। যেটি কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত। নতুন করে যে ট্রাকগুলো ঢুকবে সেগুলোতে শিশুদের খাবার এবং পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী রয়েছে।”

    এদিকে গাজায় এতদিন জাতিসংঘ ও অন্যান্য আরও বেসরকারি সংস্থা ত্রাণ বিতরণের কাজটি করত। কিন্তু দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র মিলে নতুন একটি সংস্থা খুলে এগুলো বিতরণের কথা বলছে। কিন্তু এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • তিন যুগ পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেবেন দুই বাংলাদেশি সাঁতারু

    তিন যুগ পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেবেন দুই বাংলাদেশি সাঁতারু

    জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

    জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতারের সংবাদ সম্মেলন। সেই সম্মেলনে এসেছিলেন সাবেক জাতীয় সাঁতারু নাজমুল হক হিমেল। তার সঙ্গে দেশের অন্যতম সেরা সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন জুলাইয়ে। সংবাদ সম্মেলনের একপর্যায়ে হিমেল এই তথ্য দেওয়ার পর সব আকর্ষণ ইংলিশ চ্যানেল নিয়েই তৈরি হয়।

    সারা বিশ্বের মধ্যে ইংলিশ চ্যানেল সাঁতারুদের জন্য আলাদা একটি রোমাঞ্চ। এই চ্যানেল পাড়ি দেওয়া বিশেষ এক সম্মান ও মর্যাদার। বাংলাদেশির মধ্যে ব্রজেন দাস ও মোশাররফ হোসেন খান ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছিলেন। আজ (মঙ্গলবার) অবশ্য আব্দুল মালেক নামে আরেক বাংলাদেশি সাঁতারুর নাম শোনা গেছে, তিনি স্বাধীনতাপূর্ব সময়ে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেছিলেন।

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার জন্য স্লট পাওয়া দুষ্কর। জেলিফিস, ঠান্ডা পানি ও প্রাকৃতিক বৈরিতার পাশাপাশি ব্যয়ও অনেক। এরপরও পেশাদার ও সৌখিন সাঁতারুরা যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করা ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমের নেশায় মাতেন। এবার সেই রোমাঞ্চকর অভিযানে যাচ্ছেন বাংলাদেশ দুই সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। আগামী ৭ জুলাই ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে যুক্তরাজ্য যাবেন এই দুই সাঁতারু। সেখানে গিয়ে অন্তত ১০ দিন অনুশীলন করবেন দুজন। এর আগে বাংলাদেশের তিন সাঁতারু ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন। ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম এশীয় ব্রজেন দাস। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে তিনি মোট ছয়বার চ্যানেলটি অতিক্রম করেন। এই চ্যানেল সবচেয়ে কম সময়ে সাঁতরে পার হওয়ার রেকর্ডও গড়েছিলেন তখন। এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।

    গত দুই দশকে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর। ২০১২ সালে লন্ডন ও ১৬ সালে রিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কয়েক বছর ধরেই ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন অলিম্পিয়ান সাঁতারু সাগর। তিনি সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন হিমেলকে। যিনি বর্তমানে চীন প্রবাসী। সাঁতার অঙ্গনে অবশ্য তার খুব তারকাখ্যাতি ছিল না। সাগর ও হিমেল রিলেতে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেবেন। তাদের দুই জনের সঙ্গী দুই ভারতীয় সাঁতারু ইলভিস আলী হাজারিকা ও রিমো সাহা। দুই ভারতীয় সাঁতারুর সঙ্গে রিলে করার কারণ সম্পর্কে সাগর বলেন,‌ ‘ভারতীয় দুই সাঁতারুর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। রিলেতে তুলনামূলক ব্যয় কম।’

    বিজ্ঞাপন

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে একজন সাঁতারুর প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশন থেকেও তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের দুই সাঁতারু মূলত ২০২৮ সালের আগে ব্যক্তিগত কোনো স্লট পাচ্ছিলেন না। কলকাতার দুই সাঁতারুর সহযোগিতায় এই বছরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সুযোগ মেলে তাদের। যে কারণে চার সাঁতারু মিলে একটা রিলে করবেন ইংলিশ চ্যানেলে।

    অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে হবে। কিন্তু সেসবের জন্যও প্রস্তুতি নিয়ে রাখার কথা জানালেন হিমেল, ‘ওখানে জেলি ফিশ আছে। পানির তাপমাত্রা সেখানে ১৫ থেকে ১৯ ডিগ্রি। তবে আমি চীনে ১৯ ডিগ্রিতে সাঁতার কেটেছি। খুব একটা অসুবিধা হয়নি। তবে ১৫ ডিগ্রি হলে চ্যালেঞ্জিং থাকবে।’ ইংলিশ চ্যানেলের প্রস্তুতি সম্পর্কে কিশোরগঞ্জের এই সাঁতারু বলেন, ‘প্রায় ৩৭ বছর পর ব্রজেন দাস স্যার এবং মোশাররফ হোসেন স্যারের পর আমরা দুজন বাংলাদেশি যাচ্ছি। নিঃসন্দেহে এটা একটা ব্রেকথ্রু। যা গর্বের বিষয় এবং আশা করি এখন যে প্রজন্ম আছে তারাও আমাদের থেকে অনুপ্রেরণা পাক।’

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে সাঁতারুদের ৪০-৫০ কিলোমিটার সাঁতরাতে হয়। স্রোত ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে ১০-১৫ ঘণ্টাও লাগে। চারজনের রিলে হওয়ায় একেক জনের ৪ ঘণ্টার বেশি পানিতে থাকতে হবে। সাগর ও হিমেলের ৩ ঘণ্টার মতো পানিতে টানা থাকার রেকর্ড রয়েছে। ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার কিছু গাইডলাইন রয়েছে। সেটা ভঙ্গ হলে অকৃতকার্য হবেন সাঁতারুরা, ফলে রেজিস্ট্রেশন ফি ও অন্যান্য ব্যয় গচ্চাই যাবে, তেমনটা হলে পুনরায় আবার নতুন স্লটের জন্য আবেদন করতে হবে।

    ৩৭তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে আগামীকাল। মিরপুর জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, সুইমিং ক্লাব, বিকেএসপি নিয়ে মোট ৮০টি টিমের প্রায় ৫৫০ জন সাঁতারু অংশ নিচ্ছেন। বয়সভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় বালক-বালিকা ৫টি গ্রুপে (অনূর্ধ্ব-১০, ১১-১২, ১৩-১৪, ১৫-১৭ ও ১৮-২০ যুবক-যুবতী) সাঁতারুরা অংশগ্রহণ করবে। সাঁতারে ১০০টি ইভেন্ট ও ডাইভিংয়ে ৪টি ইভেন্টসহ (১ মি. স্প্রিং বোর্ড, ৩ মি. স্প্রিং বোর্ড, ৫ মি. প্লাটফর্ম ডাইভিং ও বালিকাদের ১ মি. স্প্রিং বোর্ড) মোট ১০৪টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্সে ডাইভিং পুলে ডাইভিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

    সারা দেশ থেকে প্রতিভাবান সাঁতারু খুঁজে বের করতে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ‘সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ’। এবার প্রথমবারের মতো আন্তঃস্কুল সাঁতার প্রতিযোগিতাও শুরু করতে যাচ্ছে সুইমিং ফেডারেশন। সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন জানিয়েছেন, ‘জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমরা আন্তঃস্কুল সাঁতার প্রতিযোগিতা শুরু করতে চাই। এটা প্রথম আন্তঃস্কুল টুর্নামেন্ট। এখানে ইংলিশ মিডিয়াম ও বাংলা মিডিয়ামের ছেলে-মেয়েরা অংশগ্রহণ করবে। আমরা চাচ্ছি প্রতিটা বিভাগেই এই কার্যক্রম চালাতে। আমরা প্রথম শুরু করব ঢাকা দিয়ে। আশা করছি এখান থেকে অনেক ভালো সাঁতারু বের হয়ে আসবে। আমরা যদি এখান থেকে ভালো সাঁতারু পাই তাহলে তাদেরকেও আমরা ট্যালেন্ট হান্টের প্রোগ্রামে যুক্ত করে নেব। এ ছাড়া আগামীকাল আমাদের যে জাতীয় সাঁতার শুরু হচ্ছে এখানেও যারা ভালো করবে তাদেরকেও আমরা ট্যালেন্ট হান্টে নিয়ে যাব।’

    বয়সভিত্তিক বিজয়ী সাঁতারুদের স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হবে। দলগত চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলকে দেওয়া হবে ট্রফি। এ ছাড়া সেরা সাঁতারু বালক ও বালিকাকে ব্যক্তিগত ট্রফি এবং আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ভবনের অডিটোরিয়ামে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানান সুইমিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক নিবেদিতা দাস ও নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিমুল ইসলাম।