Blog

  • মুলাদীতে জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

    মুলাদীতে জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

    মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি
    বরিশালের মুলাদী সদর উপজেলার জমি-জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাবুল বেপারি নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

    আজ শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বজয়সুলি ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাবুল বেপারি ও মল্লিক পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। শুক্রবার বিকালে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে করিম মল্লিক, রফিক মল্লিক, ইউসুফ মল্লিকসহ তিন-চারজন মিলে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে বেপারি পরিবারের ওপর হামলা চালায়।

    হামলায় গুরুতর আহত হন আলিম বেপারি এবং রেসমা বেগম। নিহত বাবুল বেপারিকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পাশের আখক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা আহত দুইজনকে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    নিহত বাবুল বেপারীর বড় ভাই জালাল বেপারি জানান,আমরা ঘেরে জমি পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে স্থানীয় কাবিল মল্লিকের পুত্র করিম মল্লিক, করিম মল্লিকের পুত্র রফিক মল্লিক, ইউসুফ মল্লিকসহ সাত-আটজন ও স্থানীয় প্রভাবশালী বেল্লাল সরদার হামলা চালায়। ঘটনা শোনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    রফিক মল্লিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের পরিবারের ওপরও আগে থেকে উসকানি চলছিল। ওইদিন পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আমরা পরিকল্পিত কোনো হামলা চালাইনি। তদন্তে সত্য বের হয়ে আসবে। আমরা কোনো পরিকল্পিত হামলা করি নাই। ঘটনাটি একেবারে উত্তেজনার মুহূর্তে ঘটে গেছে।

    বরিশাল মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং দুইজন আহত। প্রাথমিকভাবে জমি সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

  • দেশে বর্তমান সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    দেশে বর্তমান সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    অদ্য ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি শফিকুল আলম বাবুল এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোস্তফার সঞ্চালনায় দেশে বর্তমান সন্ত্রাস, নৈরাজ্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জোটের কেন্দ্রীয় নেতা কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, মিলন মল্লিক, বাউলশিল্পী করিম শাহ, অভিনেতা এবি বাদল, সঙ্গীতশিল্পী মোঃ রূপক চৌধুরী, রায়হান সুলতান নেহা, জেসমিন আক্তার আনিতা, মোঃ মঞ্জু প্রমুখ। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মহাসচিব রাজু আহমেদ সুজন।
    মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে বর্তমানে যে ভয়াবহ সন্ত্রাস, নৈরাজ্য চলছে এতে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, আইন শৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে মানুষ মানুষকে মেরে ফেলেছে। অথচ প্রশাসনের সামনে ঘটনা ঘটলেও তারা দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। মনে হচ্ছে দেশের প্রশাসন সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে। দুই দিন আগে ভোলাতে ১ আলেমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    কিছুদিন আগে ঢাকার চকবাজারে মানুষের সামনে এক ব্যবসায়ীকে পাথর মেরে হত্যা করা হয়েছে। গাজীপুরে একটি গার্মেন্টস এ একজন শ্রমিককে মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে রাতভর পিটিয়ে হত্যা করেছে, গাজীপুরে একজন সাংবাদিককে শত মানুষের সামনে পিটিয়ে হত্যা করেছে। অসংখ্য হত্যা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। কেউ প্রতিবাদ করতে তাৎক্ষনিক আসেনি। দেশটা মনে হয় সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। এমতাবস্থায় এই অরাজগতা থেকে উত্তরণের জন্য আমরা মনে করি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত জরুরী।

    কারণ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই অরাজগতা থেকে দেশ রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। রাত গভীর হলেই ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হয় অনেক অপরাধীরা। রাস্তায় চলাচলে জীবনের হুমকি হয়ে দাড়ায়। অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন প্রকার তৎপরতা নেই। দেশে চলছে রাজনীতির প্রতিহিংসা। শুধু একে অপরকে দোসারোপ করা ছাড়া এদের আর কোন কাজ নেই। সোস্যাল মিডিয়ায় কিছুদিন আগে দেখলাম ১টি সিনেমার শুটিং এরদৃশ্য ক্যাপসন দেওয়া বিএনপির লোক হামলা করেছে, অথচ বিষয়টি শুধুমাত্র অভিনয়, তাই আমরা রাজণৈতিক দলগুলোকে আহ্বান জানাই আপনারা একে অন্যের উপর দোষ না দিয়ে কিভাবে দেশটাকে সন্ত্রাস, দুর্নীতিমুক্ত করা যায়, এটি নিয়ে এগিয়ে আসুন।
    সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উদার গণতন্ত্র চর্চার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আমরা মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

  • মুলাদীতে রেশমা আত্মহত্যার রহস্য প্রশাসনের তদন্ত প্রয়োজন

    মুলাদীতে রেশমা আত্মহত্যার রহস্য প্রশাসনের তদন্ত প্রয়োজন

    নিলয় ইসলাম রুবেল, নিজস্ব প্রতিনিধি

    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলা দিন ছবিপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের লতিফ বেপারীর স্ত্রী রেশমা বেগম গত ৩০ আগস্ট গভীর রাতে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে জানা গেছে।

    রেশমার ছেলে ইয়াসিন ১২ ও পার্শ্ববর্তী বাড়ি রেনু বেগম ওড়না ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা নামিয়েছে বলে জানায়। স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, পার্শ্ববর্তী বাড়ির জাকির মাস্টার হত্যার আসামি রেশমার স্বামী লতিফ বেপারি ও তার দুই ছেলে সুমন ও সুজন জেল হাজতে থাকায় জাকির মাস্টারের লোকজনের বিভিন্ন চাপে মনের কষ্টে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে অনেকে ধারণা করেন।

    রেশমার পিতা আব্দুল লতিফ দূরানী আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ ও বোয়ালিয়া ফাঁড়ির  পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে রেশমার মরা দেহের সুরা তাল উদ্ধার করে বরিশালে শেরে বাংলা মেডিকেলে প্রেরণ করে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি প্রশাসনের সুষ্ঠু তদন্ত হলে রহস্যজনক জট খুলবে বলে এলাকাবাসীর ধারনা।

  • মুলাদীতে স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার শিপু আক্তার

    মুলাদীতে স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার শিপু আক্তার

    মো: সুজন- (নিজস্ব প্রতিনিধি):

    মোসা: শিপু আক্তার আমাদের প্রতিনিধিকে লিখিত ও মৌখিকভাবে প্রত্রিকায় প্রকাশের জন্য জানান:-
    আমি মোসা: শিপু আক্তার, স্বামী নুরুল হক হাওলাদার, পিতা- আ: রব সিকদার, গ্রাম:বোয়ালিয়া/ সফিপুর, ৭ নং ওয়ার্ড, উপজেলা: মুলাদী, জেলা: বরিশাল, ধর্ম : ইসলাম, জাতীয়তা: বাংলাদেশী। আমার লিখিত ও মৌখিক দেওয়া তথ্য প্রত্রিকায় প্রকাশের জন্য জানাইতেছি যে, আমার স্বামী নুরুল হক হাওলাদার, পিতা- রত্তন হাওলাদার, গ্রাম:বোয়ালিয়া, ৭ নং ওয়ার্ড , উপজেলা: মুলাদী, জেলা:বরিশাল, তার সাথে অনুমান ১৪/১৫ বছর পূর্বে ইসলামী সরাসরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়।

    বিবাহের পরে ১০/১১ বছর আমাদের দাম্পত্যজীবন শান্তিপূর্ন ভাবে চলে। আমাদের ২ দুইটি ছেলে সন্তান ১) ছিয়াম (১৩), ২) তরিকুল (৯)। বর্তমানে আমার স্বামী অন্য মহিলার সাথে ভালোবাসা ও পরকিয়ার চেষ্টা করছে, আমি তাহাতে বাধা দিলে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়।

    এছাড়াও সে হাকিম খাঁনের ফ্রিজ চুরি করে ধরা পরে ও অবাধে চলাফেরা করে। আমি বাধা দিলে আমার মানসম্মান ও ইজ্জত নষ্ট করার জন্য লোকজন দিয়ে বহু চেষ্টা করিতেছে এবং সে অন্যত্র বিবাহ করিবে বলে আমাকে হুমকী দিয়ে আসছে,কয়েক বছর ধরে। আমার স্বামীর বিভিন্ন খারাপ কাজ করিতে আমি বাধা দিলে সে আমাকে তালাক দেওয়া সহ জান মালের ক্ষয়ক্ষতি ও আমার চরিত্র হীনতার অপবাদ দিয়ে ডিভোর্স দেওয়ার হুমকী দিয়ে আসছে।

    যে কোন সময় আমার জীবন নাশসহ বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে গোপনে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য পায়তারা চালাচ্ছে। আমার স্বামীর বিভিন্ন অন্যায় কাজ করা থেকে আমি যাহাতে মুক্তি পাই এবং আমি ও আমার ছেলেদের সহ স্বামীর সংসার করিতে ও থাকিতে পারি তাহার সুব্যাবস্থা দানে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।


    উরোক্ত বিষয় জানার জন্য নুরুল হকে পাওয়া যায়নাই।

  • মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা

    মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা

    মোকাররম হোসেন শুভ

    ২১ জুলাই ২০২৫। দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি শোকাবহ অধ্যায় হিসেবে যুক্ত হলো। রাজধানী ঢাকার উত্তরা এলাকায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৩৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি চীনা নির্মিত প্রশিক্ষণ বিমান এফ-৭ বিজিআই বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে। এই ট্র্যাজেডি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের বিমান নিরাপত্তা, নগর ব্যবস্থাপনা এবং দুর্বল রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতার একটি নগ্ন উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
    ঘটনার বিবরণ ২১ জুলাই ২০২৫, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উত্তরা, ঢাকা এফ-৭ বিজিআই রুটিন প্রশিক্ষণ মিশনে নিয়োজিত
    ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম উড্ডয়নের পরপরই যান্ত্রিক ত্রুটির শিকার হয় বিমানটি এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই এটি মাইলস্টোন স্কুলের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়।
    বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার সাথে সাথেই স্কুল ভবনে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে। এতে মোট নিহত কমপক্ষে ৩৫, শিশু (১২ বছরের নিচে) প্রায় ১৮ জন, আহত ৫০+, নিহত পাইলট তৌকির ইসলাম (মৃত্যুর আগে নিরাপদ ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টা করেছিলেন),স্কুল ভবনের একাধিক ব্লক পুড়ে ছাই

    এফ-৭ বিজিআই বিমান: কতটা নিরাপদ?
    এফ-৭ বিজিআই বিমানটি মূলত চীনের চেংদু এয়ারক্রাফট করপোরেশন -এর তৈরি, যা মূলত সোভিয়েত মিগ ২১-এর কপি। বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এই বিমানগুলো ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সংগ্রহ করে। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বারবার এই মডেলের outdated avionics, poor maintenance compatibility, and frequent technical issues নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
    বিশ্লেষণ: বিমানটির গড় আয়ুষ্কাল প্রায় ২৫ বছর হলেও, বাংলাদেশে ব্যবহৃত অনেকগুলোই রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।
    এই মডেলে পাইলটদের জন্য zero-zero ejection seat নেই, যা অনেক উন্নত দেশে থাকা বাধ্যতামূলক।
    প্রতিক্রিয়া: রাষ্ট্র, নাগরিক ও অভিভাবকদের ক্ষোভ, ঘটনার পরপরই প্রধান উপদেষ্টা গভীর শোক প্রকাশ করেন।
    তবে এতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি।

    কেন এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত?
    ১. অপ্রতুল রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা: বিমানটির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। ‘Time Before Overhaul (TBO) শেষ হলেও ফ্লাইটে রাখা হয়েছিল।
    ২.নিয়ন্ত্রণহীন প্রশিক্ষণ এলাকা নির্বাচন: প্রশিক্ষণ রুটের মধ্যে ঘনবসতি ও স্কুল এলাকা থাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি ছিল। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রশিক্ষণ বিমানকে ‘নিরাপদ দূরত্বে’ পরিচালনার নিয়ম রয়েছে।

    ভবিষ্যৎ প্রতিরোধে করণীয়
    ১. পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ বিমান বাতিল করা:
    এফ-৭ বিজিআই, মিগ ২১ধরনের পুরনো যুদ্ধবিমানগুলো ধাপে ধাপে অবসর দিতে হবে।
    ২. শহরের ভিতর ‘নো-ফ্লাই জোন’ চালু:
    বিশেষ করে স্কুল, হাসপাতাল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে।
    ৩. মানবিক ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ:
    ফ্লাইট ক্রুদের নিয়মিত মানসিক স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং stress-simulation প্রশিক্ষণ চালু করতে হবে।
    ৪. স্বচ্ছ তদন্ত ও তথ্য প্রকাশ: সেনাবাহিনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করে তদন্ত পরিচালনা করতে হবে। প্রতিবেদন প্রকাশে গোপনীয়তা নয়, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা চাই।
    ৫. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্য রাষ্ট্রীয় পুনর্বাসন প্যাকেজ:
    নিহতদের পরিবারকে উপযুক্ত আর্থিক সহায়তা, সন্তানহারা পরিবারে মনোসামাজিক কাউন্সেলিং ও চাকরির নিশ্চয়তা দেওয়া প্রয়োজন।
    শেষ কথা মাইলস্টোন দুর্ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে আমরা কতটা অনিরাপদ এক নগরে বেঁচে আছি। একটি রাষ্ট্র তখনই সভ্য হয়, যখন শিশুদের প্রাণ রক্ষায় সে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেয়। আমরা আর একটি মৃত্যু চাই না। আমরা আর একটি ‘মাইলস্টোন’ চাই না। আজ যাঁরা চলে গেছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা চাই ব্যবস্থা বদলাক, জবাবদিহিতা আসুক, এবং নিরাপত্তার সংস্কার হোক।

    লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

  • মুলাদীতে স্বামী কর্তৃক তালাক দেওয়ায় সুবিচারের দাবি স্ত্রী জান্নাতের

    মুলাদীতে স্বামী কর্তৃক তালাক দেওয়ায় সুবিচারের দাবি স্ত্রী জান্নাতের

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    মোঃ রফিকুল ইসলাম, পিতা: মোঃ সিরাজ হাওলাদার, গ্রাম: লক্ষীপুর, ডাকঘর: জালালাবাদ, উপজেলা: মুলাদী, জেলা: বরিশাল এর সহিত গত ০৫-১১-২০১৯ ইং তারিখ ইসলামী শরা শরিয়ত মোতাবেক ২ লক্ষ টাকা দেন মহোরানা কাবিনে আমি মোসাঃ জান্নাত, পিতাঃ মোঃ জুয়েল মৃধা, গ্রাম: বাটামারা ৭ নং ওয়ার্ড থানা মুলাদী, জেলা: বরিশাল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই।

    বিবাহের পরে কিছুদিন সুখ শান্তিতে আমাদের দম্পত্য জীবন অতিবাহিত হলে একটি পুত্র সন্তান হয় মোঃ ইয়াছিন বর্তমান বয়স অনুমান সারে তিন বছর। জীবন-জিবিকার তাগিদে আমার স্বামী বিদেশ যাওয়ার জন্য জানালে আমি আমার পিতা জুলেয় মৃধার নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা আনিয়া দিলে স্বামী মোঃ রফিকুল ইসলাম বিদেশ চলে যায়। আমাকে আমার পিতার বাড়িতে থাকতে বলে। মাঝে মাঝে তাদের বাড়িতে গিয়ে ২/৩ দিন বেড়াইয়া আসিতে বলে।

    আমি তার নির্দেশ মোতাবেক দায়িত্ব পালন করি। বিদেশ থেকে আমার স্বামী দেশে চলিয়া আসিলে আমার পিতার নিকট থেকে নেওয়া টাকা চাইলে সে বিভিন্ন অজুহাত দেয় এবং আমার সাথে খারাপ আচারন করে এবং এক পর্যায় আমাকে তালাকের ভয় দেখায় এবং বলে তোর পিতার বাড়ি থাকছো থাক আমার সময় মতো বাড়ি নিব।

    লোক মুখে শুনতে পাই সে অন্য এক মহিলার সাথে পরকীয়া করতেছে। কয়েক মাস পরে আমাকে (রফিকুল আমার স্বামী) মোবাইল ফোনে সোনামদ্দিন বন্দরে যাওয়ার অনুরোধ করিলে আমি পিতার বাড়ী থেকে গেলে আমাকে অনুরোধ ও মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে স্ট্যাম্প ও সাদা কাগজে ৪/৫ স্বাক্ষর নেয় এবং আমার শাশুরী ও ননদ আমাকে বহুবার বিভিন্ন নির্যাতন করিয়াছেন, বলিলে সে বলে আর করবে না। কয়েকদিন পরে জানতে পাই গত ১১/০৪/২০২৫ইং তারিখে সে আমাকে তালাক দিয়েছে এবং সংবাদ শুনতে পাইয়া আমি গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মাধ্যমে গত ২৭/০৬/২০২৫ইং তারিখ ঘটনা জানার জন্য তাদের বাড়িতে বসিলে সে তালাকের কাগজ পত্র দেখায়। গন্যমান্য ব্যাক্তিরা উভইয়ের ও শিশু সন্তান ইয়াছিন এর ভবিষ্যাৎ সুখ শান্তির কথা চিন্তা ভাবনা করে পিছনের ভুল ত্রুটি ভুলে গিয়ে উভয় কে মিলে মিসে ঘর-সংসার করার অনুরোধ জানালে আমি রাজি হই।

    আমার স্বামী ১/২ সপ্তাহ পরে জানাবে বলে সে গন্যমান্য ব্যাক্তিদের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার জন্য পরে জানাবে বলে বলিলে তারা আমাকে আমার পিতার বাড়ি চলেযেতে বলেন। আমার পিতার বাড়িতে আমার শশুর সিরাজ হাওলাদার ঐ তারিখ হইতে ২বার আমার পিতার বাড়িতে আসিয়া বেড়াইয়া যায় এবং বলে যে ধর্য্যে ধরো সুফল আসবে। বর্তমানে আমার স্বামী বিদেশ যাওয়ার সময় যে টাকা নিয়েছিল তাহার ও কাবিনের টাকা সহ অন্যন্য খরচ না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন অজুহাত খুজতেছে।

    রফিকুল ইসলামের নিকট উপরোক্ত বিষয় জানার জন্য ফোন দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জনে জানান, উপরোক্ত ঘটনার বিষয় সরজমিনে তদন্ত হলে উভয়েরই সঠিক ঘটনার বিয়ষ জানতে পারবেন যথাযথ কর্তৃপক্ষ।

  • বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ী কর্তৃপক্ষের আইন শৃঙ্খলারক্ষার দায়িত্ব পালনে খুশি এলাকাবাসী

    বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ী কর্তৃপক্ষের আইন শৃঙ্খলারক্ষার দায়িত্ব পালনে খুশি এলাকাবাসী

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলাধীন বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ী কর্তৃপক্ষের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালনে খুশি এলাকা বাসী। জানাগেছে গত ৭ জুলাই পশ্চিম বোয়ালিয়া গ্রামের মোঃ সালাউদ্দিন বেপারীর পুত্র এলাকার নামধারী চোর ও সন্ত্রাসী হাসান ওরফে হাসিব (৩০) বার্নিমদন এলাকা থেকে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল হাতে আছে।

    বোয়ালিয়ার পুলিশ ফাঁড়ীর এস আই মাহাবুব ও এ এস আই আনোয়ার জানান সন্ত্রাসী হাসান ওরফে হাসিব বার্নিমদন গ্রামের আহসান হাবীবের বাসায় চুরির সময় আহসান হাবীবকে ধারালো অস্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এ সংবাদ শুনে এলাকায় টহলরত পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেফতার করে মুলাদী থানায় প্রেরন করে।

    হাসান ঢাকা মোহাম্মদপুর থানার অস্র মামলায় ৭ বছর ৪ মাস সাজা খেটে দেশে আসিয়া এ অপকর্ম করে। তার নামে মুলাদী থানায় চুরি মামলা রয়েছে বলে জানাগেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান হাসানের একটি সংঘ বদ্ধ চোরের গ্রুপ রয়েছে। যেমন আঃ রহমান, দিদার ফকির, জিহাদ ফকির, মোঃ নুর হোসেন, বেল্লাল হোসেন সহ আরো অনেকে।

    পুলিশ চিনহিত চোর চক্রকে গ্রেফতার করলে সাধারন মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে বলে অনেকে মনে করেন।

  • মুলাদীর সফিপুরে চুরির আতঙ্ক সৃষ্টি করছে দিদার

    মুলাদীর সফিপুরে চুরির আতঙ্ক সৃষ্টি করছে দিদার

    নিজস্ব প্রতিনিধি
    মুলাদী উপজেলাধীন বাটামারা গ্রামের মোঃ আজাদ সরদারের বসত ঘরে বিগত ৫ জুন ২০২৫ ইং গভীর রাতে সিধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়। চোরের সন্ধান পাওয়ার জন্য প্রশাসনকে না জানিয়ে বিভিন্ন যায়গায় খোজ খবর নেন মোঃ আজাদ সরদার।
    অনুসন্ধানের এক পর্যায় স্থানীয় সাহিন খানের ছেলে সাওন সত্তার ফকিরের ছেলে দিদারকে চোরাই মালাল ও নগদ টাকাসহ নিজ ঘরে গননা করার সময় দেখে ফেলে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাওনকে ২ শত টাকা দেয় দিদার। পরে ঘটনা লোক মুখে জানাজানি হলে ২৭ জুন এলাকা থেকে পালানোর চেষ্টা কালে স্থানীয় জনতা দিদারকে ধরে ফেলে স্থানীয় ইউপি মেম্বার পাভীন ও তার স্বামী মোঃ ইব্রাহীম মোল্লর হাতে তুলে দেয়।
    এ ঘটনা শুনে দিদারের মা মিনারা বেগম ও স্ত্রী সাথী আসিয়া দিদারকে আইনের হাতে না দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান ও চুরির সকল মালামাল পরের দিন সকালে ফেরত দেয়ার কথা বলে দিদারকে কাগজে মুচলেকা দিয়ে নিয়ে যান। সেদিন রাতেই চুরির মালামাল ফেরত না দেয়ার লক্ষে দিদারকে মুলাদী হসপিটালে ভর্তি করে এবং মুলাদী থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। পরের দিন মালামাল না পেয়ে আজাদ সরদার স্ত্রী ডালিয়া বেগম থানায় গিয়ে দিদারসহ ৫ জনকে বিবাদী করে অভিযোগ করে। উভয় পক্ষের অভিযোগ পত্র সঠিক তদন্তর জন্য থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সফিকুল ইসলাম বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে প্রেরন করে।
    এবিষয়ে সাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার মানুষ জানান, দিদার এলাকায় চোরা দিদার নামে পরিচিত। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যায়গায় চুরি করে সে অনেক জরিমানাও দিয়েছে। কিন্তু বার বার চুরি করে পার পেয়ে যাওয়ায় দিদার এখন এলাকার জন্য আতঙ্ক হয়ে উঠেছে।
    বিগত প্রায় দেড় মাস পূর্বে সোমাদ্দিন বন্দর বাজারের মীর ফার্নিচার মার্ট-এর মালিক খোরশেদ মীরের দোকান থেকে ক্যাশবক্স ভেঙে ২০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছে দিদার ফকিরের ভাই জিহাদ ফকির।
    কথায় আছে চোরের মার বড় গলা। নিজেকে বাঁচাতে দিদার ও তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় নানান কূট কৌশল অবলম্বন করে। চুরি করার পর ভূক্তভূগীদের বিরুদ্ধোই সাজানো নাটক করে অভিযোগ দায়ের করে হয়রানির প্রচেষ্টা চালায়।
    এলাকাবাসী আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, যদি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে চুরির বিচার না করে দিদার ও তার সহযোগিদের ছাড় দেওয়া হয় তাহলে এলাকায় চুরি আরও বেরে যাবে। এলাকার নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অতি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ জানান এলাকার সচেতন মহল।

  • বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সাধারণ মানুষ আনন্দিত

    বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের দায়িত্ব পালনে সাধারণ মানুষ আনন্দিত

    রেজা হাওলাদার, মুলাদী
    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলাধীন বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে ফাঁড়ির এলাকাধীন সাধারণ মানুষ তাদের দায়িত্ব পালনে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এলাকায় অন্যায় জাতীয় কোন ঘটনা ঘটার সংবাদ পেলে ফাঁড়ি কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে মিমাংসার ব্যাবস্থা করেন।

    যতবড় প্রভাবশালী হোকনাকেন অন্যায় করতে সাহস পাচ্ছেনা তাদের ন্যায় দায়িত্ব পালনের কারনে। বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির কর্তৃপক্ষ বর্তমানে আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করতেছেন এইভাবে চলমান থাকলে এলাকায় কোন অসামাজিক কার্যকলাপ ঘটবে না বলে জানান সাধারণ জনগণ। তারা আরো জানান ফাঁড়িতে বর্তমানে দায়িত্বরত ইনচার্জ আনসার উদ্দিন, এস আই আনোয়ার হোসেন সহ পলিশ সদস্যরা আদর্শবান। তাদের আচার ব্যবহার ও প্রশাসনিক দায়িত্ব দেখে সাধারণ মানুষ তাদের অভিন্দন জানান।

    দায়িত্ব পালন বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ন্যায় হলে সাধারন মানুষ সান্তিপুর্ন ভাবে জীবন জাপন করতে পারবে। তাদের আচার ব্যবহার ও ভাল কার্যক্রম, এবং নিষ্ঠার সাথে সঠিক আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সাধারন জনগণ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বর্তমানে সর্বস্থায় এই প্রক্রিয়া বজায় থাকবে বলে আশা করেন বলে মতব্যক্ত করেন।

    উপরোক্ত সকল বিষয় বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ি কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব পালন করছেন মুলাদী থানা অফিসার ইনচার্জ মো: সফিকুল ইসলাম এর দিকনির্দেশনায়। সাধারণ মানুষ তাকেও অভিনন্দন জানান।

  • মুলাদীতে সন্ত্রসী নুর হোসেন গং কর্তৃক লাঞ্চিত দিদার ফকির

    মুলাদীতে সন্ত্রসী নুর হোসেন গং কর্তৃক লাঞ্চিত দিদার ফকির

    রেজা হাওলাদার, মুলাদী

    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলাধীন বোয়ালিয়া গ্রামের সত্তার ফকিরের পুত্র দিদার ফকির সন্ত্রাসী কর্তৃক লাঞ্চিত হয়ে বর্তমানে মুলাদী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
    এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৮ জনকে বিবাদী করে দিদারের স্ত্রী সাথী বেগম মুলাদী থানায় অভিযোগ করেছেন। সাথী বেগম জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২৭ জুন শুক্রবার ২০২৫ইং সন্ধ্যায় তার স্বামী বিবাদী নুর হোসেন (৩০)-এর কাছে আসলে চুরির অপবাদ দিয়ে দিদার ফকিরকে এলোপাথারী চর থাপ্পর মারে।
    তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী দিদারকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য নানানভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছিলো বিবাদী নুর হোসেন গংরা। সুযোগ পেয়ে তারা আমার স্বামীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালায়। আমার স্বামী কৌশলে পালাতে সক্ষম হলেও তাদের অতর্কিত হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য মুলাদী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উক্ত ঘটনার বিস্তারিত বিষয় থানায় অভিযোগের কপিতে উল্লেখ আছে।
    মুলাদী থানার অফিসার্স ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম ঘটনার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন বলে নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি অবগত হয়েছি। যেহেতু বিষয়টি মুলাদী থানাধীন বোয়ালিয়া পুলিশ ফাড়ির কাছেই ঘটেছে তাই বোয়ালিয়া পুলিশ ফাড়ির অফিসার্স ইনচার্জকে বিষয়টির সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে বাদী যেন সঠিক ও ন্যায় বিচার পায় তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
    এবিষয়ে এলাকার জনসাধারণ নুর হোসেন গংদের এমন কর্মকান্ডের সঠিক তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।