লেখক: জনতা বাণী

  • দেবরের টানে ২ সন্তান রেখে স্বামীকে তালাক!

    দেবরের টানে ২ সন্তান রেখে স্বামীকে তালাক!

    মুলাদী প্রতিনিধি
    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলাধীন ব্রজোমোহন গ্রামের মোবারক সরদারের মেজো ছেলে সজিব-এর স্ত্রী নিলুফা (২ কন্যা সন্তানের মা) স্বামীর ছোট ভাই রাজিবের সাথে অনুমান ৪ মাস পূর্বে সংসার ও (২ কন্যা সন্তান) মারিয়া (৯), ফাতেমা (৪)-কে শশুর-শাশুরী নিকট রেখে পালিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
    স্থানীয় লোক কয়েকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমাদের প্রতিনিধিকে জানান, ঘটনার সরজমিনে গেলে মেয়ে মারিয়া বলেন তার মায়ের সাথে রাজিবের অবৈধ উঠাবসা করতে দেখছে তাহা কারো নিকট প্রকাশ না করার জন্য তাকে মারধর করত।
    নিলুফার শাশুরি জানান, সজিবকে তালাক দিয়ে তার ছোট ছেলে রাজিবের সাথে বিবাহ হয়েছে শুনেছি। এ ঘটনা নিয়ে আলোচনা সমালোচনাসহ আইনী কোন ব্যবস্থা নিলে ঘর দরজা পোড়াইয়াসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি দেয় নিলুফা ও রাজিব।
    জীবনের ভয়ে মোবারক সরদার কোন পদক্ষেপ নিতেছেন না বলে জানা গেছে। মোবারক সরদার মৌখিক ভাবে জানান তার মৃত্যুপর্যন্ত যে তার পরিচয় রাজিব ও নিলুফা না দেয়। প্রয়োজন হলে রাজিব ও নিলুফার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
    তিনি আরো জানান, সজীব নিলুফা ও রাজিবের নির্যাতনের ভয়ে বাড়ি আসছেন না। সজীবের ২ মেয়ে দাদা দাদীর সংসারে থাকে বলে জানান।

  • টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর–দেলদুয়ার): মনোনয়নের দৌড়ে জনগণের প্রথম পছন্দ মানবিক ডাক্তার আনিস খান

    টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর–দেলদুয়ার): মনোনয়নের দৌড়ে জনগণের প্রথম পছন্দ মানবিক ডাক্তার আনিস খান

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর ও দেলদুয়ার) আসনে আগামী নির্বাচনের মনোনয়নকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে সরব আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যিনি এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়, জনপ্রিয়তায় এবং জনআস্থায় শীর্ষে — তিনি হলেন মানবিক চিকিৎসক, সমাজসেবক ও তরুণ নেতা ডা. আনিস খান

    চিকিৎসা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তাঁর অবদান এখন এলাকাজুড়ে প্রশংসিত। জনসেবার মাধ্যমে রাজনীতিকে মানবিকতার উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। ফলে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটার—সব শ্রেণির মানুষই আজ তাঁকেই দেখতে চায় এই আসনের প্রার্থী হিসেবে।

    চিকিৎসা থেকে জনসেবায় : ডা. আনিসের পেশাগত পরিচয় একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর তিনি ইস্পাহানী ইসলামিক চক্ষু হাসপাতালে যোগ দেন এবং ২০১৬ সালে অর্জন করেন এফসিপিএস (চক্ষু বিভাগ) ডিগ্রি। বর্তমানে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের গ্লুকোমা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

    পেশার বাইরে মানবিকতার জায়গা থেকেই তিনি নিয়মিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করে আসছেন। তাঁর উদ্যোগে শত শত অসহায় রোগী দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন “ডা. আনিস আই কেয়ার হাসপাতাল”, যা অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠে।

    জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ : সাম্প্রতিক সময়ে ডা. আনিস জননেতা তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। নাগরপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও দেলদুয়ার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মোট ১৮০টি ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছেন তিনি।

    এই গণসংযোগ কার্যক্রমে তিনি ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সমস্যা শোনেন, মতামত নেন এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
    স্থানীয়দের ভাষায় —

    “ডা. আনিস কথা দেন না, কাজ দেখান। তাঁর মতো মানুষই আমাদের দরকার।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর এই তৃণমূলভিত্তিক যোগাযোগ ও মানবিক কাজই তাঁকে মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।

    উন্নয়নের বাস্তবভিত্তিক রূপরেখা- ডা. আনিসের প্রচারণায় : জননেতা তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি ও সামাজিক উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
    মূল লক্ষ্যগুলো হলো —
    আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ
    মানসম্মত শিক্ষা ও ডিজিটাল লার্নিং
    যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি
    নারী ও শিশু উন্নয়ন
    সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন
    কৃষকের পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ
    তিনি বিশ্বাস করেন, “রাজনীতি মানে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, শুধু ক্ষমতা নয়।”
    জনগণের আস্থা ও সমর্থন
    মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া সহজ নয়—কিন্তু ডা. আনিস তা সম্ভব করেছেন তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে। তিনি যেভাবে চিকিৎসা ও সমাজসেবাকে এক সূত্রে গেঁথেছেন, তাতে সাধারণ মানুষ তাঁকে এখন “মানবিক ডাক্তার আনিস” নামেই চেনে।
    দেলদুয়ার ও নাগরপুরের গ্রামীণ জনপদে এক অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে তাঁকে নিয়ে। ভোটারদের আশা—
    “এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে পারবেন একমাত্র ডা. আনিস খান।”

    উপসংহার : চিকিৎসক হিসেবে সফলতা, সমাজসেবায় নিবেদন এবং রাজনীতিতে সততা—এই তিন গুণেই ডা. আনিস এখন টাঙ্গাইল-৬ আসনের জনতার আস্থার মুখ। মনোনয়নের দৌড়ে তিনি এগিয়ে আছেন শুধু দলের কাছে নয়, জনগণের মনেও।

    ভোটাররা একবাক্যে বলছেন : “ডা. আনিস খানই নাগরপুর–দেলদুয়ারের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারবেন।”

  • বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির কর্তৃপক্ষ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন

    বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির কর্তৃপক্ষ আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন

    মোঃ সোলাইমান (মুলাদী প্রতিনিধি)
    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলাধীন বোয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ি কর্তৃপক্ষের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দ্বায়িত্ব পালনে এলাকাবাসী আনন্দিত।
    জানাগেছে বর্তমানে মৎস অভিযানে ব্যাপক দ্বায়িত্ব পালন, বিভিন্ন এলাকায় নৈশ্য পাহারা, ওয়ারেন্ট ভুক্তি আসামী গ্রেপ্তার নিয়মিত মামলার আসামী গ্রেপ্তার, চুরি ও ছিন্তাই প্রতিরোধ কল্পে নৈশ্যকালীণ টহল প্রদান করে আসছেন এতে সাধারন মানুষ শান্তিপূর্নভাবে জীবন যাপন করতেছে।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজনে জানান, ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ আনছার উদ্দিন এস আই মোঃ মাহাবুব হোসেন সহ পুলিশদ্বয়দের কে বিগত দিনের ন্যায় দ্বায়িত্ব পালন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
    এস আই মাহাবুব জানান সরকারী বিধি মালা অনুযায়ী শতভাগ দায়িত্ব পালন করার জন্য আমরা চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি।

  • মুলাদীতে আ.লীগ ও জাতীয় পার্টির শেল্টারে সরকারী তোহা বাজার দখলের পায়তারা, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

    মুলাদীতে আ.লীগ ও জাতীয় পার্টির শেল্টারে সরকারী তোহা বাজার দখলের পায়তারা, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

    মুলাদী প্রতিনিধি
    বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নে সোনামদ্দিন বন্দর বাজারের সরকারী তোহা বাজার দখলের চেষ্টা করছেন স্হানীয় সালাউদ্দিন কাওছার (৫৮),জুয়েল হাং (৪৮) গন সহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসীরা। জানাগেছে সোনামদ্দিন বন্দর বাজারটি থেকে প্রতিবছর সরকার বন্দোবস্ত ও ইজারার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় করেন। বন্দোবস্ত ছাড়াও কাঁচাবাজার সহ বিভিন্ন অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের জন্য সরকার তোহা বাজার পেরি পেরি ম্যাপের মাধ্যমে, সুন্দর করে জনগণের সুবিধার্থে আলাদা আলাদা সাজিয়ে দেন।
    বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অর্থের বিনিময়ে সরকার তোহা বাজারটির বড় অংশ স্হানীয় ভূমিদূশ্যরা দখল করে বড় বড় বিল্ডিং করে নেয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী ভূমি কমিশনার আইনী পদক্ষেপ নিয় এবং প্রত্যোককে বাঁধা প্রদান করেন। রাজনৈতিক নেতাদের কারণে সঠিক প্রক্রিয়া বাঁধা গ্রস্থ্য হয়। ঠিক বিগতদিনের নিয়মে অবৈধ উপায়ে সরকারী সম্পত্তি দখল করার প্রচেষ্টা চলছে।
    ভূমিদৃশ্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। কেউ প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে তাকে বিভিন্ন উপয়ে হয়রানি করে বলে জানান এক ব্যবসায়ী। তোহা বাজারটি উদ্ধার না হলে বাজারটি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাবে সরকার।

  • পশ্চিম বোয়ালিয়ায় নিজ উদ্যোগে রাস্তা মেরামত করলেন মামুন কাজী

    পশ্চিম বোয়ালিয়ায় নিজ উদ্যোগে রাস্তা মেরামত করলেন মামুন কাজী

    সোলাইমান, মুলাদী
    মুলাদী (বরিশাল) জেলার বোয়ালিয়া গ্রামে ৩১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সোনামদিন বন্দর পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা। এই রাস্তাটি ৩১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বেপারী বাড়ি হইয়া শিকদার বাড়ির সামন দিয়ে মরহুম আবু তালেব ক্বারীর বাড়ি হইয়া ময়দানের পাশ দিয়ে সোনামদিন বন্দর পর্যন্ত পৌঁছেছে।
    দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি মেরামতে প্রয়োজন পড়লেও যথাযথ কর্তৃপক্ষের কোনো নজর না থাকায় উক্ত পথে চলাচলকারী পথচারীদের পোহাতে হয়েছে অসহনীয় র্দর্ভোগ। তাদের এই দুর্শসা দেখে বোয়ালিয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দা মালেক কাজীর ছেলে মোহাম্মদ মামুন কাজী নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি মেরামত করে দেন। তিনি আগামীতে মেম্বার পদপ্রার্থী।
    মোহাম্মদ মামুন কাজীর কাছে রাস্তাটির নিজ উদ্যোগে ঠিক করার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিনিধিকে তিনি বলেন, আমি এই এলাকারই সন্তান। এলাকার মানুষেয়র দুর্ভোগ-দুর্দশায় সবসময় পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করেছি, আগামীতেও করতে চাই। সবার প্রতি দোয়া চেয়ে তিনি জানান এলাকার মাসুষ যদি তার ওপর আস্থা রাখে তবে তিনি আগামী নির্বাচলে মেম্বার পদে নির্বাচন করবেন।

  • বাগেরহাটে সাংবাদিক হায়াতের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি বিআরজেএর

    বাগেরহাটে সাংবাদিক হায়াতের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি বিআরজেএর

    বাগেরহাট প্রতিনিধি
    বিআরজেএরবাগেরহাট পৌর বিএনপি নেতা ও দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এস. এম. হায়াত উদ্দিনের (৪২) হত্যাকারীদের দ্রুত সময়েরমধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন-বিআরজেএ।

    শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে সংগঠন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাখাওয়াত ইবনে মঈন চৌধুরী ও মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানিয়েছেন।

    বিবৃতিতে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব বলেন, ৩ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট শহরের হাড়িখালি এলাকায় এই সংবাদকর্মীর উপর হামলার ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। কে কাহারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধের সনাক্ত করার দাবি জানানো হয়।

    জেলা প্রতিনিধিদের তথ্যে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট শহরের হাড়িখালি এলাকায় এই সংবাদকর্মীর উপর হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে এবং পরে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত সাংবাদিক হায়াত উদ্দিন বাগেরহাট শহরের হাড়িখালি এলাকার নিজাম উদ্দিনের ছেলে। তিনি দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে বাগেরহাটে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাগেরহাট পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচন করেছিলেন।

  • মুলাদীর বাটামারায় জাকের পার্টির সাংগঠনিক জনসভা অনুষ্ঠিত

    মুলাদীর বাটামারায় জাকের পার্টির সাংগঠনিক জনসভা অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    মুলাদী (বরিশাল) উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নে গতকাল ০৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় মোঃ বাবুল চৌকিদারের সভাপতিত্বে জাকের পার্টির সাংগঠনিক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় প্রথান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মোস্তফা কামাল মন্টু শিকদার, বিশেষ অতিথি মোঃ আঃ আলীম হাওলাদার, মোঃ এমদাদ হোসেন (রিপন), মাওলানা মোঃ হাফেজ আবু ছালেহ (দুলাল)।
    জাকের পার্টির সহযোগী সংগঠনসহ সকল নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দোয়া ও মিলাদের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

  • তিনি কি দফাদার, না কি ওসি?

    তিনি কি দফাদার, না কি ওসি?

    মুলাদী প্রতিনিধি
    শুনা যায় অমুক অফিসের পিয়ন অমুক অফিসের দাড়োয়ান, অমুক ব্যাক্তির ল্যাংরা কর্মচারী শত শত কটি টাকা আর একাধিক বিলাশ বহুল বাড়ির মালিক। তাদের প্রতাপ আর বেপরোয়ার কাছে নাকি উর্দ্ধতন কর্মকর্তারাও অসহয়। সরকার তথা আইনকে তারা বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে চলে। বিভিন্ন মিডিয়ায় তাদের কর্মকান্ডের সুরতহাল তুলে ধরেও কোন প্রতিকার মেলেনি । তবেকি এসব চুনোপুটির কাছে খোদ সরকাকর ও অসহায় নাকি উদাসীন?
    তেমনই একজন প্রতাপশালীর সন্ধান মিলেছে বরিশাল জেলার মুলাদী থানার ১ নং বাটামারা ইউনিয়নে। যদিও তিনি চৌকিদার এর দফাদার পদে ০১ নং বাটামারা ইউনিয়েনে কর্মরত আছেন। কিন্তু তিনি নিজেই বলে বেড়ান, তিনি নাকি ওসিকেও পরোয়া করেন না। তিনি হামেসাই বলে বেড়ান , আমার দুই দুইটি ভাগিনা ওসি। আমি দারোাগা-ওসির পরোয়া করিনা। এলাকার মানুষ জন তার এসব বয়ান শুনে এখন অভ্যস্ত। তার এসব বয়ানের সাথে তার কর্মকান্ডের ও মিল দেখে এলাকার মুনুষ ভীত সস্ত্রত্ব। তিনি যখন ঢাকায় বেড়াতে যান, তখনও তিনি তার ইউনিফর্ম ব্যবহার করেন। হ্যা, তিনি হলেন ১ নং বাটামারা ইউনিয়নের বাটামারা গ্রামের মজিবর দফাদার- পিতা: মৃত আঃ রাজ্জাক চৌকিদার।
    গত ২৯-০৯-২০২৫ ইং তারিখে ব্যাক্তিগত কাজে মুলাদী থানার বোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্পে অবস্থান করছিলাম। এমন সময় জৈনিক ব্যাক্তি এলেন পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে।অভিযোগের সূত্রে জানলাম, জনৈক ব্যাক্তির নাম রুহুল আমিন সিকদার, পিতা: মৃত আঃ মালেক সিকদার, বয়স ৫০ বছর। উক্ত মজিবর দফাদার এর প্রতিবেশী। জিবীকার তাগিদে স্ত্রী-সন্তান সহ ঢাকায় অবস্থান করেন। একজন দিন মজুর। উক্ত মজিবর দফদার এর সাথে তার একটি দেওয়ানী মামলা চলমান আছে। মামলা নং ৫০/২০২০। অভিযোগকারি মামলার বাদী। তার অভিযোগ ঈঝ,জঝ, ঝঅ রেকর্ড মতে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে তার ৪০ বছরের পুরানো বসত বাড়ী তাহার অজ্ঞতা বসত প্রতিবেশী জমির দফাদার তাহার নিজ নামে ইঝরেকর্ড করে নেয়।
    অভিযোগকারী বাদী ঢাকায় অবস্থান করায় মজিবর দফাদার বাদীর বসত বাড়ী দখলের পায়তারা করলে বাদী জেলা জজ আদালতে বিরোধীয় জমেিত নিশেধাজ্ঞা চেয়ে মিস আপিল মামলা করে । মামলা নং ১৩১/২৩। গত ২৯/০৬/২০২৫ ইং তারিখে জেলা যুগ্নজজ ৩য় আদালত উক্ত বিরোধীয় জমিতে নিষোধাজ্ঞার রায় প্রদান করেন । কিন্তু নিষোধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযোগকারী তথা বাদীর বসত বাড়িতে মজিবর দফাদার পাকা ঘর তৈরীর
    উদ্দেশ্যে গত ২৭/০৯/২০২৫ ইং তারিখে ১৫/২০ জন শ্রমিক নিয়োগ করে ঘর তৈরী শুরু করে। । বাদীর ১৭ টি গাছ (যাহার মূল্য প্রায় ১০০,০০০/- এক লক্ষ টাকা) কাটিয়া ফেলে এবং বাদীর পিতার কবর বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে মাটির সাথে ঢালাইয়া দেয়। খবর পাইয়া বাদী ঢাকা হইতে আসিয়া মজিবর দফাদারকে মৌখিক বাধা প্রদান করে। মজিবর দফাদার তাহার বাধা না মানিয়া তাকে প্রান নাশের হুমকি দেয়। উপায়অন্তর না পেয়ে বাদী পুলিশ বারাবর অভিযোগ দায়ের করে।
    মামলা বিচারাধীন। জমির মালিকানা নির্ধারন করবেন বিজ্ঞ আদালত। এ বিষয় আমাদের মন্তব্য করার কোন অধিকার নেই। কিন্তু বিরোধীয় জমিতে নিষেধাজ্ঞা বলতে আমরা বুঝি, বিরোধীয় জমির মাটি খনন, ঘর উত্তোলন কিংবা অপসারন, বৃক্ষ কর্তন ইত্যাদী বিষয় হতে বিরত থাকা।
    পুলিশের উপস্থিতে গত ৩০/০৯/২০২৫ ইং তারিখে সরজমিনে বিরোধীয় জমি তথা বাদীর বতস বাড়িতে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। জেলা যুগ্ন জজ ৩য় আদালত এর নিষোধাজ্ঞা অমন্য করিয়া মজিবর দফাদার এমন কর্মকান্ড করে।
    স্থানীয় মানুষের সাথে উক্ত দফাদার সম্পর্কে কথা বলতে চাইলে অনেকেই কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান, মজিবর দফাদার কথায় কথায় মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর হুমকি দেয়। তাহারা ৮ ভাই সবসময় বলে বেড়ায় আমাদের দুই ভাগিনা ওসি। আমরা কাউকে পরোয়া করিনা।
    তাহারা মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজোস করিয়া বিপুল টাকা কামায়। এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা উক্ত দফাদারের ছত্র ছায়ায় এলাকাকে মাদকের আখরায় পরিনত করেছে। মাদকের কারনে এলাকায় প্রতিনিয়ত চুরির ঘটনা ঘটছে। এলাকার মানুষ তার এ সকল কর্মকান্ড এবং মাদকের হাত থেকে রক্ষাপেতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানায়।
    প্রসঙ্গ কথাঃ চৌকিদার/দফাদারকে মানুষ তাদের আশ্রয় স্থল মনে করে। তাদের দ্বায়িত্ব মানুষকে আইনের প্রতি শ্রোদ্ধাশীল হতে শেখানো। এলাকায় অপরাধ সয়ংঘঠিত হলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির কাছে অবগত করা। কিন্তু তারা নিজেরাই যখন আইনের খেলাফ করে, আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেরাই বিভিন্ন অপরাধ করে বেড়ায় এবং অপরাধীকে অপরাধে উৎসাহিত করে, পেশী শক্তি পদর্শন করে এবং ক্ষমতা ও যোগ্যতার উর্দ্ধে গিয়ে নিজেকে প্রকাশ করে, তখন এক দিন মানুষ তার নিরাপত্তা ও আইনের প্রতি বিশ্বাস আর শ্রোদ্ধা হারিয়ে নিজের হাতেই আইন তুলে নেয়। আর তখনই সমাজে ঘটতে থাকে একের পর এক অপরাধ।

  • আমাসুফ-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    আমাসুফ-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    গতকাল শনিবার ইউ এন তালিকাভুক্ত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন আমাসুফ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন আমাসুফ ময়মনসিংহ বিভাগ, জেলা ও মহানগর কমিটি।
    ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ মিলায়তনের হল রুমে আমাসুফ এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রধান ইফতেখারুজ্জামান কার্জনের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্বারী মোঃ এনায়েত উল্লাহ।
    এডভোকেট আহসান উদ্দিন ও জনাবা মানছুম বিনতে বাসেত এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি রাজু আহমেদ সুজন, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক আমাসুফ কেন্দ্রীয় কমিটি, বিশেষ অতিথি অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, ১ নং যুগ্ন আহবায়ক ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি, বিশেষ অতিথি মাওলানা কামরুল হাসান ইমরুল, কেন্দ্রীয় মজলিসের সুরা সদস্য ও আমীর, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াত ইসলামী, বিশেষ অতিথি রীতা বেগম, উপ পরিচালক, আমাসুফ কেন্দ্রীয় কমিটি, বিশেষ অতিথি, মীর আব্দুর রহিম, আহবায়ক তরুণ দল মহানগর শাখা ময়মনসিংহ।
    আরো বক্তব্য রাখেন, অনুষ্ঠানের সভাপতি ইফতেখারুজ্জামান ভূঁইয়া কার্জন, বিভাগীয় প্রধান আমাসুফ, সহ সভাপতি জনাব জাহাঙ্গীর আলম,আমাসুফ ময়মনসিংহ বিভাগ, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের বিভাগীয় দপ্তর সম্পাদক, আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল, সভাপতি, আমাসুফ ময়মনসিংহ জেলা, মোঃ মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক, আমাসুফ ময়মনসিংহ জেলা, মোহাম্মদ ওয়াহেদুল ইসলাম আমাসুফ সভাপতি,ময়মনসিংহ মহানগর,মোহাম্মদ মাসুদ আলম, সিনিয়র সহ সভাপতিমহানগর কমিটি, আব্দুল হাসিম, সহ সভাপতি, মহানগর কমিটি, তারেক মাহমুদ, সভাপতি, সদর উপজেলা কমিটি, মোমেনুল ইসলাম, ১৯নং ওয়ার্ড সভাপতি, ১৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি এবং সাব্বির আহমেদ সহ আরো অনেকে।
    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন আমরা আমরা ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি। আমাসুফ একটি অরাজনৈতিক অলাভজনক সংগঠন ইতিমধ্যে সংগঠনের কার্যক্রম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও যথাযথ ভূমিকা রাখছে।
    তিনি আরো বলেন, আমাসুফ জন্ম লগ্ন থেকে মানবাধিকার লংঘন প্রতিরোধে আপোষহীন হয়ে কাজ করছেন। ইতিমধ্যে আমাদের সংগঠন আমাসুফ অনলাইনে ট্রেনিং সহ জনসাধারণকে সেবা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে আমি আশাবাদী খুব শীঘ্রই বাস্তবায়ন হবে।
    বিশেষ অতিথি সহ অন্যান্য অতিথি বৃন্দ বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব মানবতার কল্যাণে আমরা আত্মনিয়োগ হব। আলোচনা শেষে কেক কেটে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম সমাপ্তি করা হয়।

  • মুগদায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে কারাগারে সাইফুল

    মুগদায় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে কারাগারে সাইফুল

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    রাজধানীর মুগদা থানার দক্ষিণ মান্ডায় আফরিন সুলতানা ওরফে দিবা (২৪) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে দক্ষিণ মান্ডা প্রথম গলির একটি ভবনের সপ্তম তলা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    আফরিনের পরিবারের অভিযোগ, আফরিনকে হত্যা করে লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছেন তাঁর স্বামী সাইফুল ইসলাম। কিন্তু পুলিশ সাইফুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা গ্রহণ করেনি।

    তবে পুলিশ জানিয়েছে, আফরিনের স্বামী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা গ্রহণ করে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।

    পুলিশ ও আফরিনের পারিবারিক সূত্র জানায়, সাত বছর আগে সাইফুল ইসলামের সঙ্গে আফরিনের বিয়ে হয়। তাঁদের প্রায় দুই বছর বয়সী এক পুত্রসন্তান রয়েছে। সাইফুল ইসলাম সপরিবার দক্ষিণ মান্ডা প্রথম গলির একটি ভবনের সপ্তম তলায় ভাড়া থাকতেন।

    বুধবার আফরিনের সঙ্গে সাইফুলের ঝগড়া হয়। ওই দিন বিকেলে সাইফুল আফরিনের বাবার বাসায় গিয়ে তাঁর বাবা আনোয়ারুল ইসলামকে বলেন, আফরিন সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এরপর আনোয়ারুল ইসলাম মুগদা থানায় জানালে পুলিশ এসে আফরিনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

    আফরিনের বাবা মুহম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আফরিনের সঙ্গে বিয়ের পর তারা জানতে পারেন, সাইফুল বেকার ও মাদকাসক্ত। সংসার চালানোর জন্য আফরিনকে চাপ দিয়ে প্রতি মাসে তাঁর কাছ (আনোয়ারুল) থেকে টাকা নিতেন। এ ছাড়া নেশার টাকা এনে দেওয়ার জন্য আফরিনকে মারধর করতেন সাইফুল। অন্য নারীর সঙ্গেও সাইফুলের সম্পর্ক ছিল।

    আনোয়ারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আফরিনকে পিটিয়ে হত্যা করে তাঁর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজান সাইফুল। এ ব্যাপারে মুগদা থানায় সাইফুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা নেয়। তিনি বলেন, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যার কথা বলা হলেও আফরিনের পায়ের পাতা খাটের ওপরে লাগানো ছিল। তা ছাড়া পুলিশ শোবারঘর থেকে লাশ উদ্ধারের সময় কক্ষের দরজা আগে থেকেই খোলা ছিল।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বলেন, আফরিনের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তবে ওই ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। সে কারণে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সাইফুলের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার করে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আফরিনের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ থাকলে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।